দিলীপ কুমার দাস, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের খারুয়ালী ছালাম মার্কেট এলাকার খীরু নদীর পার থেকে বুধবার (২৫মে) উদ্ধার করা অজ্ঞাত নারীর পরিচয় থানা পুলিশ পেয়েছেন। নিহত নারী ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বাল্লুকবেড় গ্রামের সোহেল মিয়ার মেয়ে তাহমিনা বেগম (১৭)। এ ঘটনায় নিহতের প্রেমিক শাহ আলম দীপু (২২)কে নরসিংদী থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
সূত্রে জানা যায়, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার হাবিবুর রহমানের ছেলে শাহ আলম দীপু ভালুকা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে ভাড়া থেকে গ্লোরী ডাইং মিলে চাকুরি করতো। তাহমিনার সাথে ফেইস বুকের সূত্রধরে দীর্ঘ দিন যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক। ঘটনার ৪/৫দিন পূর্বে তাহমিনা ভালুকায় দীপুর কাছে চলে আসে। তাহমিনা ভালুকা আসার পর সে দীপুকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। তাহমিনাকে দীপু বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় দুজনের মাঝে ঝগড় হয়। এতে দীপু ক্ষিপ্ত হয়ে তাহমিনা মাথায় দীপু আঘাত করলে সে মারা যায়। তাহমিনার লাশ লুকানোর জন্য ভাড়া বাসার পাশে আকাশমনি বাগানের ঝোপঝাড়ের ভেতরে গর্তে ফেলে পালিয়ে যায়।
প্রথমে পুলিশ নিহতের লাশ সনাক্ত করে তাহমিনার মোবাইল ফোনের সূত্রধরে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ গত রোববার (২৯মে) রাতে নরসিংদী শহর থেকে দীপুকে গ্রেফতার করে। দীপু পুলিশের কাছে তাহমিনাকে হত্যার স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
১৬৪ধারা জবানবন্দির জন্য পুলিশ দীপুকে আদালতে প্রেরণ করেছে। ভালুকা মডেল থানার ওসি কামাল হোসেন জানান, নিহত নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।