রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সাইফুল বারীর কথায় কাজী শুভর ‘পিরিতের অসুখ’ বিজেসির ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা-মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যের ডাক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার তালতলী উপজেলা শাখার সভাপতি মল্লিক জামাল, সম্পাদক মো: রেজাউল ইসলাম রনি ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ সুপারের ঠাকুরগাঁও পুলিশ কোর্টের বার্ষিক পরিদর্শন ডেঙ্গু প্রতিরোধে পিরোজপুরে ৩ মাসের বিশেষ পরিকল্পনা, অবৈধ দখল উচ্ছেদের নির্দেশ পিরোজপুর শহরে আগুনে পুড়ল ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং বিষয়ে পিরোজপুরে জেলা কর্মশালা পিরোজপুর জেলায় নতুন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তালেবুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণ বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আজিমনগর আওয়ামী লীগ নেতা নূর ইসলাম চোকদার গ্রেফতার ভাড়া নির্ধারণের আগেই আদায় শুরু, চট্টগ্রামে গণপরিবহনে বেপরোয়া নৈরাজ্য

পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালীতে বিএনপি’র কমিটিতে আ লীগ জামায়াত।

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২, ২.২৩ পিএম
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ  পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর প্রকাশ্যে এসেছে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ণ না করার দাবি তুলছেন পদবঞ্চিতরা। এতে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন কয়েকজন পদধারীও। তাদের অভিযোগ, কমিটিতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত এবং ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ণ করা হয়নি। তারা হয়েছেন পদবঞ্চিত। অথচ অর্থনৈতিক সুবিধাও মিলেছে পদ। কমিটিতে জায়গা পেয়েছে আওয়ামী লীগ, জামায়াত ও জাতীয় পার্টির লোকেরা। করা হয়েছে স্বজনপ্রীতি। পদ পেয়েছে প্রবাসীও।

এ ধরনের নানা অভিযোগ তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটির পদবঞ্চিতরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার বাহেরচর বাজারে অবস্থিত আব্বাস হাওলাদারের বাসভবনের নিচতলায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. কবির হোসেন তালুকদার।লিখিত এ বক্তব্যে তিনি বলেছেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান ফরাজী সুকৌশলে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাদের কমিটি থেকে পদবঞ্চিত করেছেন। দলের নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে তার পছন্দের ৩৬ জন নেতাকে ইউনিয়ন কমিটির পদে রেখে আবার উপজেলা কমিটিতেও পদ দিয়েছেন। অর্থনৈতিক সুবিধার জন্য প্রবাসীও পেয়েছে পদ। তিনি আরও বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যাদের রাখা হয়েছে তাদের বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি ঘরোনার। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ঘরোনার জাহাঙ্গীর তালুকদারকে সহ-সভাপতি, সুজাত
তালুকদারকে ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পদক এবং মোতাহার মাসুমকে শ্রম বিষয়ক সম্পাদক করা হয়। জামায়াতের রাজনীতিতে জড়িত ওসমান গণিকে ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এবং জাতীয় পার্টি থেকে আসা রফিকুল ইসলামকে সদস্য করা হয়। এছাড়া দুইজন প্রবাসী ও ঢাকায় বসবাস করা সাতজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়। তাই অনতিবিলম্বে এ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে পুনরায় কমিটি গঠনের মাধ্যমে ত্যাগীদের মূল্যায়ণ করার দাবি জানান তিনি।
এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল বশার হাওলাদার, আবুল হুদা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্বাস উদ্দিন হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মহসিন উদ্দিন ও সহ-প্রচার সম্পাদক বেল্লাল হোসেন প্রমুখ।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৭ মে উপজেলা বিএনপির সম্মেলন এবং কাউন্সিল হয়। এতে আব্দুর রহমান ফরাজী সভাপতি ও সাজাদুল ইসলাম শামীমকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ওই সম্মেলনের আড়াই মাস পর গত ১১ আগস্ট উপজেলা বিএনপির প্রস্তাবিত ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয় জেলা বিএনপি। এ কমিটি ঘোষণার পরই বর্তমান সভাপতি আব্দুর রহমান ফরাজী ও সাবেক সভাপতি কবির হোসেন তালুকদারের পূর্বের অভ্যন্তরীণ কোন্দল আরও প্রকাশ্যে আসে।
তবে কমিটির এসব নানা অভিযোগের বিষয়ে সদ্য ঘোষিত উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটির সভাপতি আব্দুর রহমান ফরাজী বলেন, পটুয়াখালী-৪ আসনের নেতা বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারফ হোসেন ভাইয়ের সাথে আলোচনা করে ইউনিয়ন কমিটিগুলো হয়েছে। পরে সম্মেলনের মাধ্যমে কাউন্সিল হয়েছে। আমি সভাপতি পদে ২৪ ভোট পেয়েছি আর কবির তালুকদার ১১ ভোট পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, উপজেলা কমিটির গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে। প্রটোকলে নিয়ম আছে সাবেক সভাপতিকে ১ নম্বর সদস্য করার। আমরা সেটাই করেছি। কমিটি করতে গিয়ে এক ব্যক্তি দুই পদে আছে। ইউনিয়নে আছে, উপজেলায়ও আছে। ইউনিয়ন কমিটির লোক পদাধিকার বলে উপজেলায় এমনেতেই সদস্য পদ পাবে। একটি কমিটির গ্রহণযোগ্যতার জন্য ব্যক্তিত্ব সম্পূর্ণ লোক কমিটিতে রাখা প্রয়োজন। যাদের কথায় ভোট আসবে। আমরা সেই ধরণের লোক নিয়েছি সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিয়ন কমিটির সঙ্গে আলাপ করে। কমিটি জেলায় উপস্থাপন করার আগে এই আসনের নেতা মোশাররফ ভাইকে বারবার কমিটি দেখিয়েছি। জেলার সাথেও আলাপ করে কমিটি
উপস্থাপনা করেছি। আমাদের সাবেক সভাপতি কবির তালুকদার তার কর্মদক্ষতার অভাবে পদ হারিয়েছেন। সরকার বিরোধী কর্মসূচিগুলোতে তিনি অংশ নেননি। তাই নেতাকর্মী থেকে তিনি জনবিচ্ছিন্ন হয়েছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com