শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আজিমনগর আওয়ামী লীগ নেতা নূর ইসলাম চোকদার গ্রেফতার ভাড়া নির্ধারণের আগেই আদায় শুরু, চট্টগ্রামে গণপরিবহনে বেপরোয়া নৈরাজ্য নজরুল বর্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ শাহজালালে উড়োজাহাজের টয়লেট থেকে ৫০ স্বর্ণবার উদ্ধার পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীকে অশ্রুসিক্ত বিদায় জানালো জেলা পুলিশ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিলের দুধ খেয়ে হাসপাতালে ৩৪ শিক্ষার্থী ভর্তি পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শোভাযাত্রা গভীর নলকূপ নিয়ে বিরোধ, হামলা ও হুমকির অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে নিরাপত্তাহীনতায় জাকির হোসেনের পরিবার ভাঙ্গা বাজারে দোকানের টিন কেটে দুই দোকানে চুরি নগদ টাকাসহ মালামাল লুট,ব্যবসায়িরা আতংকে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরের ভাতুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মেহেন্দিগঞ্জে স্বাস্থবিধি না মেনেই চলছে ব্যাংকের কার্যক্রম। ঝুকিতে গ্রাহক!

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০, ৫.০২ পিএম
  • ৬৯২ বার পড়া হয়েছে

রাজিব তাজ ঃ কোভিড-১৯ (করোনা) ভাইরাস বিশ্বে যখন মহামারী আকার ধারন করে আছে, তখন অফিস আদালত, ব্যাংক-বিমা, লঞ্চ ও বাস সীমিত আকারে খুলে দেওয়া হলেও মানছেন না অনেক প্রতিষ্ঠান। খেয়া, লঞ্চ, বাস, বিমান ও অন্যান্য পরিবহন সীমিত আকারে খুলে দিলেও তা এখন সীমিত আকার মানছেন না কেউ। বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সকল ব্যাংক গুলোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, কোন ব্যাংকে ঢোকার সময় পাপোশে নেই জীবানুনাশক লিকুইড, নেই কোন সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার, গ্রাহকদের মুখে দেখা যায় নি মাস্ক ও হাতে নেই হ্যান্ড গ্লোবস এবং ব্যাংক কর্মকর্তাদের মুখে নেই মাস্ক ও হাতে নেই হ্যান্ড গ্লোবস। ব্যাংকের কাউন্টারের সামনে থাকা বাধা একটি কলম ব্যবহার করছেন সকল গ্রাহক, আরো দেখা যায় যে, নগদ জমা বা উত্তোলনের পর টাকা গননার সময় থুথুর ব্যাবহার করে অনেক গ্রাহক, যা করোনা ভাইরাস একজন থেকে দ্রুত অন্যজন ছড়ানোর শক্তিশালী এক মাধ্যম। লক্ষ করে আরো দেখা যায় যে, ব্যাংকে আসার পর চেক বা জমা ভাউচার লেখার সময় মোবাইল ফোন টেবিল বা কাউন্টারের রেখে কাজ সারেন, কিন্তু সেই টেবিল বা কাউন্টারে কোন স্প্রে করা হয় না, যা খুবই বিপদজনক। সিকিউরিটি গার্ড বা অন্যান দ্বায়িতশীল কর্মকর্তাদের নেই কোন এসবের ব্যাপারে তোড়জোড়। গ্রাহকদের মধ্যে নেই কোন সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখা, মানছেন না কেউ সিরিয়াল, এক জনের গা ঘেঁষে দাড়িয়ে আছে অন্যজন। মুখে নেই মাস্ক, হাঁচি কাশি ও কথার বলা হয় নিঃসংকোচে। সাধারন জনগন থেকে শুরু করে শিক্ষত থেকে অশিক্ষত, সরকারী বেসরকারী চাকুরিজীবি, এনজিও কর্মী,স্বাস্থকর্মী, ভাতা ও পেনশনভোগী( যাদের বয়স ষাটোর্ধ) এই রকম অনেক শ্রেনীর মানুষ আসে ব্যাংকে। তাই ব্যাংকের ভিতর কোভিট ১৯ সংক্রমনের ঝুঁকিও অনেক বেশি। আরো দেখা যায় যে, ব্যাংকে অনেক মহিলা গ্রাহক দেখা যায়, যারা ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে আসে এবং অনেক বৃদ্ধদের ও দেখা যায়, মাস্ক ব্যাতিত।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com