মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সাইফুল বারীর কথায় কাজী শুভর ‘পিরিতের অসুখ’ বিজেসির ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা-মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যের ডাক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার তালতলী উপজেলা শাখার সভাপতি মল্লিক জামাল, সম্পাদক মো: রেজাউল ইসলাম রনি ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ সুপারের ঠাকুরগাঁও পুলিশ কোর্টের বার্ষিক পরিদর্শন ডেঙ্গু প্রতিরোধে পিরোজপুরে ৩ মাসের বিশেষ পরিকল্পনা, অবৈধ দখল উচ্ছেদের নির্দেশ পিরোজপুর শহরে আগুনে পুড়ল ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং বিষয়ে পিরোজপুরে জেলা কর্মশালা পিরোজপুর জেলায় নতুন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তালেবুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণ বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আজিমনগর আওয়ামী লীগ নেতা নূর ইসলাম চোকদার গ্রেফতার ভাড়া নির্ধারণের আগেই আদায় শুরু, চট্টগ্রামে গণপরিবহনে বেপরোয়া নৈরাজ্য

আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের ভবিষ্যত অনিশ্চিত বরাদ্দ ফুরিয়ে আসছে

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২২, ১১.৩২ এএম
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে

প্রকল্পের মেয়াদও শেষের পথে। বরাদ্দ ফুরিয়ে আসছে। তাই শহুরে দরিদ্রদের চিকিৎসা সেবায় যুক্ত আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের ভবিষ্যত অনিশ্চিত।

কাজ হারানোর শঙ্কায় প্রকল্পের স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকল্পটি বন্ধ হলে শহুরে দরিদ্র বিশেষ করে নারী- শিশুদের স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পাবার বিষয়টি নতুন করে ভাবতে হবে।

শহুরে বিত্তবানদের জন্য স্বাস্থ্যসেবার সুযোগটা অবারিত। হাজারটা বিকল্প তাদের সামনে। কিন্তু শহুরে দরিদ্রদের জন্য এই সুযোগ একেবারেই সীমিত।

এই চাহিদা পূরণ করতে এক হাজার ১৩৬ কোটি টাকা ‘আরবান হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রজেক্ট’ (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্পটি নেয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়।

দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশন ও ১৩টি পৌরসভায় নির্দিষ্ট প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ক্লিনিক, স্যাটেলাইট ক্লিনিক, ভ্রাম্যমান কেন্দ্রের মাধ্যমে সেবা পেয়ে আসছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

এই প্রকল্পে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ২৪০ কোটি এবং এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে ৮৯৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। কিন্তু আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত আছে এর মেয়াদ।

টেনে টুনে আরও হয়তো বছর খানেক এটি চলবে। কিন্তু এরপর শহুরে দরিদ্রদের এই স্বাস্থ্য সেবা আর অব্যাহত থাকবে কিনা সেটি অনিশ্চিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি হাসপাতালের সীমিত সামর্থের ওপর চাপ কমাতে বিশ্বজুড়েই এলাকাভিত্তিক এমন সেবা প্রচলিত।

তাই এমন সেবা প্রকল্পভিত্তিক না হয়ে বরং স্থায়ী হওয়া উচিত, যা হবে স্থানীয় সরকার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে।

শুধু স্থায়ী নয় বরং শহরের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে দু’শিফটে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী থাকতে হবে, যেন শহরে মানুষগুলো চাকরি বা কাজ শেষেও চিকিৎসা নিতে আসতে পারেন।

সম্পূর্ণ ফ্রি রেড কার্ডের সুবিধার পাশাপাশি হলুদ কার্ডের ব্যবস্থা করা। যাতে দরিদ্র মায়েরা অর্ধেক মূল্যে সেবা নিতে পারেন।

পাশাপাশি নগর মাতৃ সদনে অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট ও সোনোলজিস্ট নিয়োগ, সহযোগী জনবল বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com