মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৩ দিনব্যাপী ‘যোসেফাইট টেক কার্নিভাল’ সম্পন্ন কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও মালামাল লুট, ঘরে মিলল বিবস্ত্র লাশ কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দি নিহত ঘটনায় পরস্পরকে দায়ী করছে রাশিয়া ও ইউক্রেন

  • আপডেট সময় রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০২২, ১.১৩ পিএম
  • ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

ক্ষেপণাস্ত্র হামলায়, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের একটি কারাগার ধ্বংস হয়ে গেলে ডজনকয়েক ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দি নিহত হন। এই হামলার জন্য শুক্রবার রাশিয়া এবং ইউক্রেন একে অপরের প্রতি দোষারোপ করেছে। কোন পক্ষের দাবিই নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

রাশিয়া বলেছে যে, ওলেনিভকার ঐ কারাগারে হওয়া হামলায় ৪০ জন বন্দি নিহত হয়েছেন এবং ৭৫ জন আহত হয়েছেন। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ডনেটস্ক প্রদেশের একটি অংশ হল ওলেনিভকা।

রুশ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের এক মুখপাত্র নিহতের সংখ্যা ৫৩ জন বলে জানায়। তিনি, কিয়েভের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি হাইমার্স রকেট ব্যবস্থা ব্যবহার করে কারাগারে হামলা চালানোর অভিযোগ করেন।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেছে। তারা বলছে যে, বন্দিদের প্রতি দুর্ব্যবহারের বিষয়টি গোপন করতে, রুশ গোলন্দাজ বাহিনী ঐ কারাগারে হামলা চালায়।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি এ ঘটনার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছেন।

জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া তার প্রাত্যহিক বক্তব্যে, শুক্রবার তিনি বলেন, এটি রাশিয়ার একটি ইচ্ছাকৃত যুদ্ধাপরাধ, এটি ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দিদের ইচ্ছাকৃতভাবে গণহত্যা।” তিনি আরও বলেন যে, হামলায় ৫০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে।

রাশিয়াকে সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক ঘোষণা করতে তিনি বিভিন্ন দেশের প্রতি আহ্বান জানান। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের প্রতি হামলার ঘটনায় সাড়া দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানান তিনি।

দ্য ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ দ্য রেড ক্রস শুক্রবার ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের নিরাপদে নিয়ে আসার জন্য অনুমতি চেয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক মুখপাত্র, ঘটনাটিকে ইউক্রেনের সৈন্যদের আত্মসমর্পণে নিরুৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এক “নিষ্ঠুর উস্কানি” বলে উল্লেখ করেছেন।

ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দারা বলছেন, রাশিয়ার দাবিগুলো হচ্ছে “ বেসামরিক স্থাপনা ও মানুষজনের উপর ইউক্রেন গোলাবষর্ণ করছে বলে যে দোষারোপ করা হচ্ছে, তা নিজেদের হীন কর্মকাণ্ড ঢাকতে একটি তথ্যযুদ্ধের অংশ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com