বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৩ দিনব্যাপী ‘যোসেফাইট টেক কার্নিভাল’ সম্পন্ন কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও মালামাল লুট, ঘরে মিলল বিবস্ত্র লাশ কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

আফগানিস্তানে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ ব্রিটিশ সেনাদের বিরুদ্ধে

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই, ২০২২, ১০.০১ এএম
  • ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

সদ্য প্রাপ্ত এক সামরিক নথির বরাত দিয়ে বিবিসির এক তদন্তে এক দশক আগে আফগানিস্তানে বিদ্রোহ-বিরোধী অভিযানের সময় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল এয়ার সার্ভিসের (এসএএস) একটি ইউনিটের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক ভাবে আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ হেলমান্দে ৫৪ জনকে অবৈধভাবে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। জরুরি ভিত্তিতে এই ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

এক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ব্রিটেনের এই বিশেষ বাহিনীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে ‘কার্যকর ও স্বচ্ছ’ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

২০১০ ও ২০১১ সালের মধ্যে সংঘঠিত যুদ্ধাপরাধের এই অভিযোগ সেই সময়কার যখন ব্রিটিশ সৈন্যরা আফগানিস্তানে মিত্রবাহিনীর সঙ্গে তালিবান বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে তখনও লড়াই করছিল।

ঐ প্রতিবেদনে বলা হয় রাত্রিকালীন অভিযানের সময়ে এসএএস সৈন্যরা “ঠান্ডা মাথায়” নিরস্ত্র আফগানদের নিয়মিত গুলি করে হত্যা করতো। এই সব অপরাধকে যৌক্তিকতা দেয়ার জন্য তারা সেখানে অস্ত্র পুঁতে রাখতো।

এক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যশানাল , ব্রিটেনের এই বিশেষ বাহিনীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের “প্রয়োগসাধ্য ও স্বচ্ছ” তদন্তের আহ্বান জানায়।

এদিকে এই অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায়, বর্তমানে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া আফগানিস্তান স্বাধীন মানবাধিকার কমিশনের (এআইএইচআরসি) প্রাক্তন প্রধান শাহারজাদ আকবর কয়েক দশক ধরে তার দেশে আন্তজার্তিক শক্তিগুলোর দ্বারা ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে বলে সম্প্রতি এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, “স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং ক্ষতিপূরণের জন্য এখনও দেরি হয়ে যায়নি।”

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, আফগানিস্তানে ব্রিটিশ বাহিনীর বিষয়ে দুটি স্বাধীন তদন্ত হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

প্রমাণ ছাড়া এধরনের অভিযোগ তাদের সাহসী সশস্ত্র বাহিনীর কর্মীদের সুনাম ক্ষুন্ন করছে বলেও তারা মন্তব্য করে।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলেছে এই প্রতিবেদনটি “এমন সব অভিযোগ সম্পর্কে অযৌক্তিক উপসংহারে পৌঁছাচ্ছে যা এরই মধ্যে সম্পূর্ণ ভাবে তদন্ত করা হয়েছে”। এতে বলা হয় আফগানিস্তানে ব্রিটিশ সৈন্যদের আচরণের ব্যাপারে দুটি তদন্ত করা হয়েছে কিন্তু এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার মতো যথেষ্ট প্রমাণ কোন তদন্তেই পাওয়া যায়নি।

২০০১ সালের ১১ ই সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উপর হামলার পর নেটো -নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটের অংশ হিসাবে আফগানিস্তানে ব্রিটিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। তদন্তে ২০১০ সালের শেষের দিকে হেলমান্দে তালেবান কমান্ডারদের আটক করতে এবং বোমা তৈরির নেটওয়ার্ক ব্যাহত করতেই ছয়মাস ধরে ‘হত্যা বা আটক’ অভিযান চালিয়েছে এই ইউনিটটি।

বিরোধীদলীয় আইনপ্রণেতা জন হিলি অভিযোগকে ‘প্রচন্ড বিরক্তিকর’ হিসেবে বর্ণনা করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেসকে এই দাবিগুলি যাচাই করার জন্য কী পদক্ষেপ নেবেন তা সংসদে ব্যাখ্যা করার জন্য অনুরোধ করেছেন।

গত ১৫ই আগষ্ট তালেবান বিদ্রোহীরা দেশটির নিয়ন্ত্রণ পুনরায় দখল করার কয়েক দিন আগে গত আগস্টে চূড়ান্তভাবে ব্রিটিশ বাহিনী ও তাদের নেটো মিত্ররা আফগানিস্তান থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com