চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে, জেলা প্রশাসনের সহায়তা সেলের পাশে, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সহযোগিতায় এ বুথ স্থাপন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন জানায়, “ঢাকা থেকে আসা অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষজ্ঞ দল, সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোর আগুন ও বিস্ফোরণে নিহতদের শনাক্ত করতে, ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শুরু করেছেন।”
ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বুথ করা হয়েছে। সেখানে বসেই স্বজনদের ডিএনএ সংগ্রহ করছেন সিআইডি বিশেষজ্ঞেরা।
নিহতদের স্বজনেরা পুলিশের সহায়তায় ডিএনএ টেস্টের জন্য নমুনা দিচ্ছেন। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন আসার পর, পরিচয় শনাক্ত হলে, মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে।
ডিআইজি আনোয়ার হোসেন জানান, “মোট ৪১টি মরদেহ চমেক হাসপাতালে আনা হয়েছিল। এরই মধ্যে ২২ জনের পরিচয় শনাক্ত হওয়ায়, মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাকি ১৮ জনের পরিচয় নিশ্চিতকরণের জন্য স্বজনদের ডিএনএ সংগ্রহ করা হচ্ছে। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন আসার পর, স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।”
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান জানিয়েছেন, “দাফন-কাফনের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। আর, আহতদের প্রাথমিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে দেয়া হবে। নিহতদের মধ্যে ২২ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। ৫ জুন রাত ১০টা পর্যন্ত, ১২ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অনেক মৃতদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তাই নিহতদের ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ টেস্ট করা হচ্ছে।