শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৩ দিনব্যাপী ‘যোসেফাইট টেক কার্নিভাল’ সম্পন্ন কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও মালামাল লুট, ঘরে মিলল বিবস্ত্র লাশ কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

পাকুন্দিয়ায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে বসেই জামদানি শাড়ি তৈরীর স্বপ্ন দেখছেন সুজন।

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০২২, ১২.৩৭ এএম
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

 

পলাশ সাহা, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সরেজমিনে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার আশুতিয়া গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পে দেখা গেছে, সরকারের দেওয়া ছোট্ট ঘরের পাশেই টিনশেডের বারান্দা তৈরি করে জামদানি শাড়ি তৈরির সরঞ্জাম বসিয়েছেন সুজন। ছোট্ট বারান্দায় চলছে স্বপ্ন বোনার কাজ। হাত আর সুতার কারুকাজ দিয়ে ফুটিয়ে তুলছেন বাংলার ঐতিহ্যবাহী মসলিন জামদানি।

জানা গেছে, ১০ বছর বয়সে পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে পাড়ি জমিয়েছিলেন সুজন। সেখানেই তার জামদানি শাড়ি তৈরির হাতে খড়ি। এরপর কয়েক বছর সেখানে জামদানি শাড়ি তৈরির কাজ করে সংসার চালিয়েছেন।
পাঁচ মাস আগে যখন আশ্রয়ণ প্রকল্পে মায়ের নামে ঘর বরাদ্দ পান, তখন সেখান থেকে চলে আসেন। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে নিজেই জামদানি শাড়ি তৈরি করছেন। একেকটি জামদানি শাড়ি তৈরি করতে ১৪-১৫ দিন সময় লাগে। পুরো শাড়ি সুতা দিয়ে হাতে করতে হয়। তাই সময় একটু বেশি লাগে। শাড়ি ভেদে একেকটি ১০-১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে।
সুজন এ প্রতিনিধি কে বলেন, জামদানি শাড়ি বাংলার ঐতিহ্য। শাড়ি তৈরির কাজ শিখতে আমার অনেক দিন সময় লেগেছে। এই কাজে অনেক সময়, শ্রম ও ধৈর্য লাগে। মাসে দুটি শাড়ির কাজ করতে পারি। একা কাজ করতে হয় বলে সময় বেশি লাগে। চাহিদা বেশি থাকলেও কারিগরের অভাবে সব অর্ডার রাখতে পারি না।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com