পলাশ সাহা, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ সরেজমিনে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার আশুতিয়া গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পে দেখা গেছে, সরকারের দেওয়া ছোট্ট ঘরের পাশেই টিনশেডের বারান্দা তৈরি করে জামদানি শাড়ি তৈরির সরঞ্জাম বসিয়েছেন সুজন। ছোট্ট বারান্দায় চলছে স্বপ্ন বোনার কাজ। হাত আর সুতার কারুকাজ দিয়ে ফুটিয়ে তুলছেন বাংলার ঐতিহ্যবাহী মসলিন জামদানি।
জানা গেছে, ১০ বছর বয়সে পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে পাড়ি জমিয়েছিলেন সুজন। সেখানেই তার জামদানি শাড়ি তৈরির হাতে খড়ি। এরপর কয়েক বছর সেখানে জামদানি শাড়ি তৈরির কাজ করে সংসার চালিয়েছেন।
পাঁচ মাস আগে যখন আশ্রয়ণ প্রকল্পে মায়ের নামে ঘর বরাদ্দ পান, তখন সেখান থেকে চলে আসেন। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে নিজেই জামদানি শাড়ি তৈরি করছেন। একেকটি জামদানি শাড়ি তৈরি করতে ১৪-১৫ দিন সময় লাগে। পুরো শাড়ি সুতা দিয়ে হাতে করতে হয়। তাই সময় একটু বেশি লাগে। শাড়ি ভেদে একেকটি ১০-১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে।
সুজন এ প্রতিনিধি কে বলেন, জামদানি শাড়ি বাংলার ঐতিহ্য। শাড়ি তৈরির কাজ শিখতে আমার অনেক দিন সময় লেগেছে। এই কাজে অনেক সময়, শ্রম ও ধৈর্য লাগে। মাসে দুটি শাড়ির কাজ করতে পারি। একা কাজ করতে হয় বলে সময় বেশি লাগে। চাহিদা বেশি থাকলেও কারিগরের অভাবে সব অর্ডার রাখতে পারি না।