শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৩ দিনব্যাপী ‘যোসেফাইট টেক কার্নিভাল’ সম্পন্ন কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও মালামাল লুট, ঘরে মিলল বিবস্ত্র লাশ কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ধান কাটায় শ্রমিক সংকট, বৈরী আবহাওয়ায় বিপাকে বোরো চাষীরা।

  • আপডেট সময় রবিবার, ১৫ মে, ২০২২, ৪.১১ এএম
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

 

দিলীপ কুমার দাস,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  নেত্রকোনার পূর্বধলায় ফসলের মাঠজুড়ে হলুদ রঙের পাকা বোরো ধান। কিন্তু শ্রমিক সংকটের কারণে দ্বিগুণ মজুরি দিয়েও কষ্টের ফসল ঘরে তুলতে পারছে না চাষিরা। কদিন ধরে আবহাওয়া বিরূপ। প্রায় সারাদিন টিপ টিপ বৃষ্টিতে মাঠে পড়ে থাকা ধান নিয়ে শঙ্কায় দিন কাটছে কৃষকের।

এদিকে রোদ না থাকায় ভেজা ধান মাড়াই করে ঘরে উঠালেও সেই ধানে চারা গজাতে শুরু করেছে। আর মাঠের ধান যদি দুই-তিন দিনের মধ্যে কাটতে না পারে তাহলে সব ধান নষ্ট হয়ে যাবে বলছেন কৃষকেরা।

বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের তথ্য অনুযায়ী, কাটা প্রতি ১১শ’ থেকে ১২শ’ টাকা মজুরিতেও মিলছে না ধান কাটার শ্রমিক। শুধু পূর্বধলায় নয়, নেত্রকোনায়ও বোরো মৌসুমের ধান কাটার শ্রমিক সংকট প্রতি বছরই তীব্রতর হচ্ছে। আর সংকটের কারণে বাড়ছে মজুরিও। ধান কাটা শ্রমিকের মজুরি প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চলতি মৌসুমে বোরোর আবাদ ভালো হয়েছে। কিন্তু ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এর মধ্যে বেশ কদিন ধরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তাই পাকা ধান জমিতে নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় দিন পার করছেন তারা।

হোগলা এবং জারিয়া ইউনিয়নের কৃষক আবু বকর ও সমশের বলেন, ধান কাটার শ্রমিক খুঁজে পাওয়া যায় না। সাড়ে চার হাজার টাকা পর্যন্ত বিঘা বলছি কেউ আসেনি। এখন ধানের ক্ষেতে অনেক পানি, ডুবে যাচ্ছে প্রায়।

সানকিডুয়ারী গ্রামের কৃষক মিজান আকন্দ বলেন, তিন বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করেছি। আমার পাকা ধান ঝরে পড়ছে। একদল শ্রমিক পেয়েছিলাম। সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা বিঘা চায়। আবার থাকা-খাওয়া। তাহলে তো ধান বেঁচে লোকসান হবে।

ঘাগড়া ইউনিয়নে বানেরকান্দা গ্রামের আলমগীর বলেন, ধান ভালোই হয়েছিলো। বৃষ্টি ও শ্রমিক মূল্য অতিমাত্রায় বেশির হওয়ায় ধান কাটা-মাড়াই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাছাড়া ৬০০-৭০০ টাকা মণ ধান। কৃষি অফিসের তথ্য মতে এই বছর ২১ হাজার ৭৮০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে আমরা মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। যাদের ধান কাটা নিয়ে সমস্যা হয় তাদেরকে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে সহজে ধান বাড়িতে তোলার ব্যবস্থা করছি। এখন পর্যন্ত উপজেলায় প্রায় ৬০ শতাংশ ক্ষেতের ধান কাটা হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টিতে বোরো ধানের ক্ষতি হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব পাকা ধান কাটতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com