বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৩ দিনব্যাপী ‘যোসেফাইট টেক কার্নিভাল’ সম্পন্ন কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও মালামাল লুট, ঘরে মিলল বিবস্ত্র লাশ কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নির্যাতন, গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত: জাতিসংঘ

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২, ৮.০৩ পিএম
  • ২০২ বার পড়া হয়েছে

মিয়ানমারে গত বছরের অভ্যুত্থানের পর জাতিসংঘ মঙ্গলবার এই প্রথম একটি বিস্তারিত মানবাধিকার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদন বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী একেবারে নিয়ম করেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে জড়িত, এর মধ্যে অনেকগুলি যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলে বলেছেন, নিরাপত্তা বাহিনী মানুষের জীবনের প্রতি নিদারুণ অবহেলা দেখিয়েছে, জনবহুল এলাকায় বিমান হামলা এবং ভারী অস্ত্র ব্যবহার করে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

তিনি একটি বিবৃতিতে বলেন ঘটনার শিকার অনেককেই মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, পুড়িয়ে মারা হয়েছে, নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে বা মানব ঢাল হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ঐ প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি “অর্থপূর্ণ পদক্ষেপ” নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তবে জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনের ব্যাপারে মন্তব্য করার জন্য মঙ্গলবার মিয়ানমারের সামরিক মুখপাত্রকে ফোন করা হলে, তিনি কোনও উত্তর দেননি।

সামরিক বাহিনী বলছে, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের দায়িত্ব। তারা নৃশংসতার ঘটনা পুরোপুরি অস্বীকার করেছে, বরং অশান্তি সৃষ্টির জন্য “সন্ত্রাসীদের” দায়ী করেছে।

গ্রামাঞ্চলগুলোতে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের লোকজন এবং মিলিশিয়াদের কাছ থেকে অব্যাহত প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়েছে সেনাবাহিনী। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৈন্যরা সাগাইং অঞ্চলে নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়েছে, সেখানে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় কিছু মৃতদেহ পাওয়া গেছে।

কায়াহ রাজ্যে, নারী ও শিশুদের পোড়া মৃতদেহ পাওয়া গেছে, কিছু মৃতদেহের অবস্থান ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে, তারা পালানোর চেষ্টা করেছিল এবং ধরা পড়ার পর তাদের জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ছাদ থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করা, মাদকের ইনজেকশন দেওয়া, এছাড়া অনেকেই ধর্ষণসহ যৌন সহিংসতারও শিকার হয়েছে।

জান্তা গত বছরে জাতিসংঘ এবং এর নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের হস্তক্ষেপের জন্য একে, জান্তার কথায়, পক্ষপাতদুষ্ট গোষ্ঠীর বিকৃত তথ্যের উপর নির্ভরতা বলে অভিহিত করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সামরিক সরকারকে সমর্থনের জন্য কমপক্ষে ৫৪৩ জন মানুষ নিহত হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com