বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৩ দিনব্যাপী ‘যোসেফাইট টেক কার্নিভাল’ সম্পন্ন কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও মালামাল লুট, ঘরে মিলল বিবস্ত্র লাশ কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

আটক রাখা সম্পত্তি না পেলে তালিবান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি নীতি পুনর্বিবেচনা করবে

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২, ১০.২০ এএম
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

আফগানিস্তানের কট্টরপন্থী ইসলামী শাসকেরা জানাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে আটকে রাখা ৭০০ কোটি ডলার মূল্যের সম্পদ যদি ফেরত না দেয়, তবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাদের নীতি পুনঃবিবেচনা করতে পারে।

গত শুক্রবার প্রেসিডেন্ট বাইডেন এক নির্বাহী আদেশ বলে ব্যাংকগুলোকে মানবিক সহায়তা বাবদ আটক সম্পদের ৩৫০ কোটি ডলার একটি ট্রাস্ট ফান্ডে জমা রাখার আবেদন জানিয়েছেন। বাদবাকি ৩৫০ কোটি ডলার অর্থ যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসবাদে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনদের মামলা খরচ বাবদ ব্যবহার করা হবে, বিশেষত ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক সিটি ও ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনদের বেলায়, যাদের মামলা এখনো আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

সোমবার তালিবানের জারি করা এক বিবৃতিতে একজন মুখপাত্র জানান, ১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার সঙ্গে “আফগানিস্তানের কোনই সম্পর্ক নেই”। মুখপাত্রটি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের অবস্থানে পরিবর্তন না আনে এবং উষ্কানিমূলক পদক্ষেপ বজায় রাখে তা হলে ইসলামী আমিরাত যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের নীতি পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হবে”। ইসলামী আমিরাত অর্থে দেশটির সরকারি নাম হিসাবে তিনি আফগানিস্তানের কথা উল্লেখ করেন।

১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার সময় তালিবান আফগানিস্তানে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল এবং আল কায়দা সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের প্রধান এবং যুক্তরাষ্ট্রে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসাবে ওসামা বিন লাদেনকে সেখানে আশ্রয় দিয়েছিলো। বিন লাদেনকে ওয়াশিংটনের কাছে সমর্পণের দাবি নাকচ করা হলে, হামলার কয়েক সপ্তাহ পরে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত অভিযানে তালিবানকে অপসারণ করা হয়।

গত অগাস্ট মাসে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের মাধ্যমে প্রায় ২০ বছর ধরে চলতে থাকা যুদ্ধের অবসান ঘটে। তবে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার মতে আফগানিস্তান ৪ দশকের বেশি সময় ধরে সংঘাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট বিশ্বের সবচাইতে ভয়াবহ মানবিক সঙ্কটের মুখোমুখি।

আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার শেষে জাতিসংঘের জরিপ অনুযায়ী দেশটির ক্ষুধাপীড়িত জনগণের অর্ধেকের বেশি, প্রায় ২ কোটি ৪০ লক্ষ জনগণ এখন চরম খাদ্যাভাবের মুখোমুখি এবং এ বছরের শেষ নাগাদ ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ১০ লক্ষ শিশুর ক্ষুধাজনিত কারণে মৃত্যু হতে পারে।

[এই প্রতিবেদনের কিছু কিছু অংশ রয়টার্স ও এএফপি মাধ্যম থেকে নেয়া]

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com