বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৩ দিনব্যাপী ‘যোসেফাইট টেক কার্নিভাল’ সম্পন্ন কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও মালামাল লুট, ঘরে মিলল বিবস্ত্র লাশ কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ভারত প্রকোপ ঠেকানো যাচ্ছে না কিছুতেই

  • আপডেট সময় রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০, ৪.০২ পিএম
  • ২৩০ বার পড়া হয়েছে

ভারত সরকারের নির্দেশে নমুনা পরীক্ষা বেড়েছে দেশ জুড়ে। আক্রান্তদের শনাক্তকরণ নিয়ে বেড়েছে তৎপরতাও। তবে করোনার প্রকোপ ঠেকানো যাচ্ছে না কিছুতেই। বরং প্রতি দিন হাজার হাজার মানুষ নোভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হচ্ছেন। বেশ কয়েক দিন পর ফের দৈনিক সংক্রমণ ছাপিয়ে গিয়েছে সুস্থ হওয়ার সংখ্যাকেও। আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও, কোভিডের প্রকোপে মৃত্যুও অব্যাহত।

রবিবার ভারত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক যে পরিসংখ্যান সামনে এনেছে, তাতে দেখা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৪৫ হাজার ২০৯ জন। তাতে এখনও পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৯০ লক্ষ ৯৫ হাজার ৬ হয়েছে। এই মুহূর্তে দেশে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৪৪ হাজার ৯৬২।

অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশে করোনার প্রকোপে দৈনিক মৃত্যু হাজারের নীচেই রয়েছে যদিও। তবে সংখ্যার ওঠাপড়া চলছেই। ১৫ নভেম্বর থেকে পর পর বেশ কয়েক দিন দৈনিক মৃত্যু ৪০০-র ঘরে ঘোরাফেরা করলেও, ১৯ নভেম্বর থেকে ফের তা ৫০০-র উপরে চলে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫০১ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। অতিমারিতে এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ২২৭ জন করোনা রোগী প্রাণ হারিয়েছেন।

(গ্রাফের উপর হোভার বা টাচ করলে প্রত্যেক দিনের পরিসংখ্যান দেখতে পাবেন। চলন্ত গড় কী এবং কেন তা লেখার শেষে আলাদা করে বলা হয়েছে।)

প্রতি দিন যত সংখ্যক মানুষের পরীক্ষা হচ্ছে, তার মধ্যে যত শতাংশের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসছে, তারে পজিটিভিটি রেট বা সংক্রমণের হার বলা হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ লক্ষ ৭৫ হাজার ৩২৬টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এই মুহূর্তে সংক্রমণের হার ৪.২ শতাংশ।

সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতিই সবচেয়ে ভয়াবহ। তবে দৈনিক সংক্রমণ এবং মৃত্যুতে এ দিন মহারাষ্ট্রকে ছাপিয়ে গিয়েছে রাজধানী দিল্লি। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ৫ হাজার ৮৭৯ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। করোনার প্রকোপে মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। দিল্লিতে এখনও পর্যন্ত ৫ লক্ষ ২৩ হাজার ১১৭ জন সংক্রমিত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার ১০৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

দিল্লির মতো কেরলেও দৈনিক সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। এ দিন নতুন করে ৫ হাজার ৭৭২ জন সংক্রমিত হয়েছেন সেখানে। প্রাণ হারিয়েছেন ২৫ জন রোগী। মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৭৬০ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। করোনার প্রকোপে এ দিন সেখানে প্রাণ হারিয়েছেন ৬২ জন। এ ছাড়াও কর্নাটক (২০), অন্ধ্রপ্রদেশ (৭), তামিলনাড়ু (১৮), উত্তরপ্রদেশ (২৪), পশ্চিমবঙ্গ (৫৩), ওডিশা (১৭), তেলঙ্গানা (৪), রাজস্থান (১৬), বিহার (৪), ছত্তীসগঢ় (২২), হরিয়ানা (২৫), অসম (২), গুজরাত (৯), মধ্যপ্রদেশ (১১), পঞ্জাব (২৩), ঝাড়খণ্ড (৬), জম্মু ও কাশ্মীর (২), উত্তরাখণ্ড (৮), গোয়া (৩), হিমাচলপ্রদেশ (১৮), মনিপুর (১), চণ্ডীগঢ় (৩), মেঘালয় (২), নাগাল্যান্ড (১), লাদাখ (২) এবং সিকিমেও (২) করোনা রোগীর প্রাণ গিয়েছে।

গোটা বিশ্বে এই মুহূর্তে আমেরিকাতেই অতিমারির প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। সেখানে এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ২০ লক্ষ ৮৫ হাজার ৩৮৬ জন মানুষ কোভিডে সংক্রমিত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে নতুন করে ১ লক্ষ ৭৬ হাজার ৯৯০ জন সংক্রমিত হয়েছেন। করোনার প্রকোপে আমেরিকায় সবমিলিয়ে ২ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

সংক্রমণের নিরিখে বিশ্বতালিকায় আমেরিকার পরেই রয়েছে ভারত। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৮৬। এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৯৮৯ জন কোভিড আক্রান্তের প্রাণ গিয়েছে সেখানে। এই মুহূর্তে ব্রাজিলে দৈনিক সংক্রমণ ৩০ হাজারের কোটায় ঘোরাফেরা করছে।

(চলন্ত গড় বা মুভিং অ্যাভারেজ কী: একটি নির্দিষ্ট দিনে পাঁচ দিনের চলন্ত গড় হল— সেই দিনের সংখ্যা, তার আগের দু’দিনের সংখ্যা এবং তার পরের দু’দিনের সংখ্যার গড়। উদাহরণ হিসেবে— দৈনিক নতুন করোনা সংক্রমণের লেখচিত্রে ১৮ মে-র তথ্য দেখা যেতে পারে। সে দিনের মুভিং অ্যাভারেজ ছিল ৪৯৫৬। কিন্তু  সে দিন নতুন আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা ছিল ৫২৬৯। তার আগের দু’দিন ছিল ৩৯৭০ এবং ৪৯৮৭। পরের দুদিনের সংখ্যা ছিল ৪৯৪৩ এবং ৫৬১১। ১৬ থেকে ২০ মে, এই পাঁচ দিনের গড় হল ৪৯৫৬, যা ১৮ মে-র চলন্ত গড়। ঠিক একই ভাবে ১৯ মে-র চলন্ত গড় হল ১৭ থেকে ২১ মে-র আক্রান্তের সংখ্যার গড়। পরিসংখ্যানবিদ্যায় দীর্ঘমেয়াদি গতিপথ সহজ ভাবে বোঝার জন্য এবং স্বল্পমেয়াদি বড় বিচ্যুতি এড়াতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়)

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com