বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৩ দিনব্যাপী ‘যোসেফাইট টেক কার্নিভাল’ সম্পন্ন কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও মালামাল লুট, ঘরে মিলল বিবস্ত্র লাশ কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

আগামী বছর করোনা টিকা ব্যবহার পুরোদমে শুরু হবে : বিল গেটস

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১.২৪ এএম
  • ২৫৩ বার পড়া হয়েছে
চলতি বছরের শেষেই করোনা টিকার গবেষণা এবং উৎপাদনের ক্ষেত্রে সাফল্যের আশা করছেন বিল গেটস। মঙ্গলবার একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘করোনা টিকা সংক্রান্ত গবেষণায় ছ’টি সংস্থা অগ্রণী ভূমিকায় রয়েছে। আগামী বছরের গোড়াতেই এক মধ্যে তিনটির উৎপাদন ও বণ্টনের কাজ শুরু হয়ে যাবে।’
আগামী বছর করোনা টিকা ব্যবহার পুরোদমে শুরু হবে এবং কোভিড-১৯ সংক্রমণ এড়াতে তার সুফল মিলতে শুরু করবে বলেও জানান গেটস। সেই সঙ্গে মাইক্রোসফ্‌টের প্রতিষ্ঠাতা দাবি, করোনা টিকার উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভারতের অংশীদারিত্ব অপরিহার্য হয়ে উঠবে। তাঁর কথায়, ‘‘করোনা টিকা তৈরি হওয়ার পরেই আমরা দ্রুতগতিতে তার উৎপাদন শুরু করতে চাই। আমার মনে হয়, বিশ্ববাসী এমন একটি টিকার প্রতি ভরসা রাখবেন, যা আমেরিকার, ইউরোপ বা ব্রিটেনের মানদণ্ডে পরীক্ষিত।’’
বিশ্বজুড়ে এখন ৩৮টি সম্ভাব্য করোনা টিকার মানব বা পশুদেহে  ‘ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল’ চলছে। প্রাক ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পর্যায়ের গবেষণা চলছে ৯৩টি সম্ভাব্য করোনা টিকার উপর। তবে গেটসের মতে, রাশিয়া বা চিনে করোনা টিকার কাজে সাফল্য মিললেও সেখানকার পরিকাঠামো পশ্চিমী দুনিয়ার সমতুল নয়।
ভারতে করোনা টিকা প্রস্তুত করতে অন্তত সাতটি পৃথক গবেষণা চলছে। ভারত বায়োটেক, সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া, জাইডাস ক্যাডিলা, প্যানাসিয়া বায়োটেক, ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিক্যালস, মাইনভ্যাক্স অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল-ই-র মতো সংস্থা এই উদ্দেশ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ’ (আইসিএমআর)-এর সহায়তায় ভারত বায়োটেকের তৈরি সম্ভাব্য করোনা টিকা কোভ্যাক্সিনের মানবদেহে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে।
ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে  আমেরিকার সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি সম্ভাব্য করোনা প্রতিষেধক কোভিশিল্ডের মানবদেহে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ও উৎপাদনের দায়িত্ব পেয়েছে পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া। বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন টিকা উৎপাদনের বিষয়ে সেরামের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।
বিল গেটস এদিন বলেন, ‘‘দ্রুত বিপুল পরিমাণে  করোনা টিকা উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা প্রশ্নাতীত।  তাঁর মতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার পাশাপাশি, নোভাভ্যাক্স, সানোফি এবং জনসন অ্যান্ড জনসন কম দামের করোনা
টিকা উদ্ভাবনে সাফল্য পেতে পারে। প্রসঙ্গত, অগস্ট মাসে মার্কিন সংস্থা ‘নোভাভ্যাক্স’ তাদের তৈরি করোনা প্রতিষেধক ‘এনভিএক্স-কোভ-২৩৭৩’ উৎপাদনের জন্যও চুক্তি করেছে সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে। যদিও পুণের ওই ওষুধ উৎপাদনকারী সংস্থার সিইও আদর পুণাওয়ালা কয়েকদিন আগে বলেছিলেন, ‘‘২০২৪ সালের আগে সকলের কাছে করোনা-টিকা পৌঁছনো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন না।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com