সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

ঐতিহাসিক প্রাচীন রাজা গনেশের নিদর্শন সংরকক্ষনের অভাবে বিলুপ্তির পথে

  • আপডেট সময় রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ৪.০৯ এএম
  • ১২৯ বার পড়া হয়েছে

 

গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি,
স্টাফ রিপোর্টারঃ- ঠাকুরগাঁয়ের হরিপুর উপজেলার ৬নং ভাতুরিয়া ইউনিয়নের গড়ভবানিপুর মৌজায় অবস্থিত ঐতিহাসিক প্রাচীন রাজ চব্বিশ পরগনা জেলার ভাতুরিয়া রাজা গণেশের বসতভিটা, গড়, পুকুর ও দুটি নদসহ সকল নিদর্শনসমূহ সংরক্ষনের অভাবেই এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে।

জানাযায়,ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা থেকে প্রায় ৭ কি.মি দূরত্বে ভাতুরিয়া রাজা গণেশের ঐতিহ্য ও নিদর্শনসমূহ।এখান থেকে মাত্র ১-২ কি.মি দূরত্বে ভারত সীমান্তে কাটাতারের বেড়া। তার শাসনকাল ছিল ১৪১৪ খ্রিঃ থেকে ১৫১৫ খ্রিঃ পর্যন্ত।পরবর্তীতে রাজা গণেশের পত্র যুদু রায় তার শাসন আমল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০ শত বছর অতিবাহিত হতে চলেছে। অথচ এ সময়ের মধ্যে সরকারি ভাবে কখনই রাজা গণেশের বসতভিটা, গড়, পুকুর ও নদের সংস্কার বা রক্ষানাবেক্ষনের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি শুধু ইতিহাসের পাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সীমান্তবর্তীর এলাকায় এর অবস্থান হওয়ার কারণে এটি সরকারের দৃষ্টিতে পড়ছে না। প্রায় ৫০ একর জমিতে রয়েছে রাজা গণেশের বাড়ি, নদ ও পুকুর। কালের বিবর্তনে এখন তার বাড়ির ভিটারও অস্থিত্ব খুজে পাওয়া দূস্কর হয়ে পড়েছে। এখানে একটি বিশাল গড় রয়েছে। রাজা গণেশের বাড়ির দুপাশে দুটি নদ ছিল। এ নদের উৎপত্তি ছিল কুলিক নদী থেকে। সেগুলোও ভরাট হয়ে গেছে। এ নদ দুটি সংস্কার করে পূনরুজ্জীবিত করলে কৃষিখাতে ব্যাপক সাফল্য ঘটবে। গড়ের পাশে ত্বন্নীদিঘী নামারে ১০ একরে বিশাল পুকুর,পুকুরটির চতুর পার্শ্বে ৭৫ ফিট প্রস্ত বিশিষ্ট মাটির প্রাচির দ্বারা ঘেড়া ছিল। সংস্কারের অভাবে শুষ্ক মৌসুমে পুকুরের পানি থাকে না।এই পুকুরে চতুর পাশ্ব দিয়ে রাজার ঘোড়া দৌড়ের প্রশিক্ষন দিত বলে জানা গেছে। তবে পুকুরের মধ্যে এক অংশে অলৌকিক একটি বিশাল শাল কাঠের খুটিঁ এখনও বিদ্যমান রয়েছে এর পিছনে রয়েছে অনেক অলৌকিক ঘটনার কল্প কাহিনী। পুকুরের পূর্বপাড়ে রয়েছে শাহাজালাল কুতুবে আলম পীরের মাজার। মাজারের সংলন্ম বর্তমানে রয়েছে বিশাল এক কবরস্থান, সেই কবর স্থানের বর্তমান নামকরণ করা হয়েছে তন্নিদিঘী পারিবারিক কবরস্থান। কবরস্থানের পূর্ব-দক্ষিণে প্রায় ৩শত গজ দূরে রয়েছে শাহা তিসতিয়া পীরের মাজার। কবরস্থানের পূর্বে রয়েছে প্রাচীনতম অজ্ঞাত নামা একটি কবর, কবরস্থানের দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে আরো একটি প্রাচীনতম কবর যা আজও বিরাজ মান। ১৯৯০ সালে ঐ পুকুর পাড়ে ৩৮টি পরিবারে নিয়ে একটি গুচ্ছগ্রাম তৈরি করে সরকার। কিন্তু এসকল বিষয়ের দেখভালের কেউ না থাকায় বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ঐতিহাসিক রাজা গণেশের গড়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com