শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকারকে ঝামেলায় ফেলতেই পতিত দোসররা নাশকতাসহ ষড়যন্ত্র করছে: ফরিদপুরে-রুহুল কবীর রিজভী জন্মদিনে নতুন প্রাপ্তির গল্প, আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের নৃত্যশিল্পী নাইমুজ ইনাম নাইম ইতিহাসের সেরা ফুটবলার দাবি রোনালদোর বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের তিনদিন পর এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু গাজীপুরের ড্রাগ ইন্টার ন্যাশনালের ওষুধ কারখানার আগুন সোয়া ৩ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২৯১০ মামলা বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এলপিজি নিয়ে জনগণকে জিম্মির চেষ্টা করলে আইনি ব্যবস্থা : জ্বালানিমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সময়মতো সিন্ডিকেট সভা না হওয়ায় আটকে আছে শিক্ষকদের পদোন্নতি

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৩, ৮.২৩ পিএম
  • ২৯৭ বার পড়া হয়েছে

হারুন,জবি প্রতিনিধিঃ-জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) পূর্ণাঙ্গ সিন্ডিকেট সভা হচ্ছে না  আট মাস পেরিয়ে গেছে । যদিও গত তিন মাস আগে জরুরি বিশেষ সিন্ডিকেট  সভা হয়। এর ফলে শিক্ষক পদোন্নতি, নিয়োগসহ আটকে আছে নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের অনুমোদন।

২৭ জুন  (মঙ্গলবার) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের  ৯২তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয় অনলাইনে ।পরবর্তীতে চলতি মাস পর্যন্ত কোন সিন্ডিকেট সভা আয়োজন করতে পারে নি প্রশাসন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়- ২০০৫ এর আইনের ১৮(২) ধারায় বলা আছে, ‘প্রতি দুই মাসে সিন্ডিকেটের কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।‘

একটি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি প্রণয়ন, বার্ষিক প্রতিবেদন, শিক্ষক পদোন্নতি, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়োগ, অর্থ সংক্রান্ত বিষয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত নানা সম্প্রসারণ, একাডেমিক কাউন্সিলের কোন সিদ্ধান্তের অনুমোদন, বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের অনুমোদন হয়ে থাকে। তবে আইন অনুযায়ী সময়মত সিন্ডিকেট সভা আহ্বান না করলে এসব বিষয়ে জট লেগে যায়। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।

জানা যায়, জবিতে ২০২২সালে জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত চারটি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ বছরের জানুয়ারিতে সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর নানা কারণে পেছাতে পেছাতে পাঁচ মাস পর আবার একটি  কোন সভা না হওয়ায় বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বিভাগীয় পদোন্নতি আটকে রয়েছে। আটকে আছে প্রভাষক পদে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি স্থায়ীকরণ, এমফিল পিএইচডি তে অনুমেদন, ছুটি সংক্রান্ত নির্দেশনা আর পদন্নোতির আবেদনের কাজ আটকে আছে সিন্ডিকেটের অভাবে।

বোর্ডে এ শিক্ষককে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, যা চূড়ান্ত হবে পরবর্তী সিন্ডিকেটে। কিন্তু আট মাসেও পূর্ণাঙ্গ সিন্ডিকেট সভা আর অনুষ্ঠিত হয় নি।তাছাড়া আটকে আছে শিক্ষক নিয়োগও।

এদিকে সময়মত সিন্ডিকেট সভা না হওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষক সমিতির নেতারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক জানান, নিয়মিত সিন্ডিকেট সভা না হলে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন, বিভিন্ন রেজাল্ট প্রকাশ, পদোন্নতিসহ সব ধরণের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্হবির হয়ে পড়ে।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. একেএম লুৎফর রহমান বলেন, সিন্ডিকেট সভা সময়মতো না হওয়াতে আমাদের অনেক শিক্ষকের পদোন্নতি আটকে আছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহ সচিবদেরকে আমরা চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। ভিসি স্যার অসুস্থ থাকায় এখন সিন্ডিকেট সভা ব্যাহত হচ্ছে।

সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো: নূরে আলম আব্দুল্লাহ বলেন, আসলে এটা দুঃখজনক বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজগুলো ঠিকঠাক হওয়ার জন্য দুইমাস পরপর সিন্ডিকেট হওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ে  নির্দিষ্ট সময় পর পর সিন্ডিকেট না হলে অনেক ধরনের সমস্যাই পোহাতে হয়। ‘

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে থাকা কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, বর্তমানে উপাচার্য তো দেশে নেই উনি সুস্থ হয়ে ফিরলেই সিন্ডিকেট আহ্বান করবেন। এখন তো আমি উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে, আমি তো সভা আহ্বান করতে পারবো না।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com