শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৩ দিনব্যাপী ‘যোসেফাইট টেক কার্নিভাল’ সম্পন্ন কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও মালামাল লুট, ঘরে মিলল বিবস্ত্র লাশ কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

খুলনায় মাহেন্দ্রচালক হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০২২, ৫.৪৭ পিএম
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে

শেখ ওহিদুর রহমান ওরফে রিপন নামের এক মাহেন্দ্রচালককে হত্যা করে মাহেন্দ্র ছিনতাই করার অপরাধে চারজনকে মৃত‌্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও ছিনতাই করার অপরাধে প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কিশোরগঞ্জের ইলচ্চা বাজার এলাকার মোহাম্মদ নুর ইসলাম, একই এলাকার জনি দাস, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মো. রনি শিকদার ও খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার মোহাম্মদ মাসুদ রানা মোল্লা। হত্যা ও মাহেন্দ্র ছিনতাইয়ের কথা তাঁরা আদালতের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী সাব্বির আহমেদ বলেন, ওহিদুর রহমান একজন মাহেন্দ্রচালক। তিনি সাতক্ষীরার লাবশা এলাকার শেখ তৌহিদুর রহমানের ছেলে। ২০১৬ সালের ১১ জানুয়ারি সকালে মাহেন্দ্র চালানোর উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। রাতে বাড়ি ফিরে না এলে পরিবারের সদস্যরা চিন্তিত হয়ে পড়েন। পরেরদিন নিহতের ছোট ভাই জানতে পারেন খুলনা নগরের লবণচরা থানা এলাকায় এক অজ্ঞাতব্যক্তির লাশ পাওয়া গেছে। সংবাদ পেয়ে নিহতের ভাই শেখ শহিদুল ইসলাম খুলনায় এসে ওহিদুর রহমানের লাশ শনাক্ত করেন। লাশ দাফন শেষে তিনি জানতে পারেন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থেকে মাহেন্দ্রসহ চারজন আটক হয়েছেন। পরেরদিন তিনি নিজে বাদী হয়ে লবণচরা থানায় ওই চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

আইনজীবী আরও বলেন, ঘটনার দিন সন্ধ‌্যার দিকে সাজাপ্রাপ্ত চার আসামি পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মাহেন্দ্র ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে খুলনায় আসার জন‌্য ৭০০ টাকায় ওহিদুর রহমানের মাহেন্দ্রটি ভাড়া করেন। রাত নয়টার দিকে খুলনার লবণচরা থানা এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা ওহিদুর রহমানকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে সড়কের ধারে ফেলে দিয়ে মাহেন্দ্র নিয়ে পালিয়ে যান। পরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানা পুলিশের চেকপোস্টে গিয়ে তাঁরা সন্দেহজনকভাবে আটক হন। এসময় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা হত‌্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁরা আদালতের কাছেও জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশ পরিদর্শক মীর আতাহার আলী চারজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিলেন। মামলায় মোট ২৩ জন সাক্ষী ছিলেন, এর মধ্যে আদালত ১৫ জনের সাক্ষ‌্য নিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com