রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কাউখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ হরিণধারা-গোপালপুর সড়ক: খালের পেটে বিলীন হওয়ার পথে  গ্রামের যাতায়াতের মাধ্যম পূজায় আসছে মৌ খানের ‘স্নেহের বন্ধন’ মালিবাগে ‘কাচ্চি সরদার’-এর উদ্বোধন করলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর জে কে শান্ত ইতালি পাঠানোর নামে মালয়েশিয়ায় পাচার ও অর্থ আত্মসাৎ: চক্রের হোতাসহ গ্রেফতার ২ যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা

লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে জমি দখলের চেষ্টা গাছ কর্তন!

  • আপডেট সময় শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৮.৪৮ পিএম
  • ২১২ বার পড়া হয়েছে
 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ও আদালতের রায় অমান্য করে জমি বিক্রি ও গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি লক্ষ্মীপুর সদরের পালেরহাট বাজার এলাকার। চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা (নং মিস ৪১৬) পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ ও চলমান বন্টন মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, হেতিমপুর মিজি বাড়ীর শহীদুল্লাহর ছেলে শাহ আলম পালের হাট-বাজারে পৈতৃক সম্পত্তিতে দোকানপাট নির্মাণ করার প্রস্তুতি নিলে একই এলাকার মজিব উল্লাহর ছেলে মোরশেদ আলম, পরান, কুসুমসহ শামসুন্নাহার, পান্না বেগম, ফেন্সি বেগম আরো চারজন মিলে হুমকি-ধমকি দিয়ে কাজের শ্রমিক তাড়িয়ে দেয়। এই নিয়ে শাহআলম ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন। যার নং ৫৫৫। জানা গেছে, মামলা করার পর উভয়ের মধ্যে ছোলেনামার মাধ্যমে মামলাটি নিষ্পত্তি হয়। তথাপিও ভুক্তভোগী শাহ আলমের অভিযোগ, তাকে সম্পত্তি বুঝিয়ে দেয়া হয়নি উপরন্তু তার তফসিলকৃত সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করার পাঁয়তারা করছে। ৫৫৬১ ও ৭৪৭৭ দলিল রিভিশন জরিপ ১২৯ নং খতিয়ান ও সাবেক দাগ ১৭২ বর্তমান হাল দাগ ৪৩৭ নং দাগে শাহ আলমের পিতা শহীদুল্লাহ ও মজিবউল্লা যৌথ দলিলে ৫.২৫ শতাংশ জমি খরিদ করেন। এ ছাড়াও শহীদুল্লাহ একক দলিলে ১.৩৫ শতাংশ ও মজিব উল্লাহ ১.৩৫ শতশ জমি খরিদ করেন। এ থেকে সড়ক বিভাগ ৩ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করে নেয়ায় বাকি ৫ শতাংশ জমি বন্টন ও নকশা খতিয়ান কাগজপত্র অনুযায়ী শাহ আলম বুঝে না পেয়ে স্থানীয় কয়েক দফা সালিশ বৈঠক বসে। এতেও কোন সূরাহা না হওয়ায় আদালতের শরণাপন্ন হন। শাহ আলম বলেন-‘আমার কাগজপত্র পুরান ও নতুন নকশা খতিয়ান দেখে যতটুকু জমি পাওয়ার ততটুকু বুঝ করে পেতেই আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি।’ নিজেকে উক্ত নালিশি জমি খরিদ্দার দাবি করে কিরন বলেন- ‘আমি পরান ও মোরশেদের কাছ থেকে জমি খরিদ করেছি। আমার সাথে কারো কিছু নেই। যদি বুঝতে হয় তাদের সাথে বুঝতে হবে।’ অভিযুক্ত পরান বলেন-‘যেহেতু আদালতে মামলা চলমান আছে সেহেতু আদালতই সঠিক বিচার করবে কার জমি কোন জায়গায় রয়েছে।’ এ বিষয়ে বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী শামসুল করিম খোকন বলেন-‘মানবাধিকার বরাবর অভিযোগ প্রাপ্ত হয়ে জানতে পারলাম শহীদুল্লাহর জমি স্থানীয় পরান ও মোরশেদরা জোর জুলুম করে খাওয়ার চেষ্টা করতেছে। এই নিয়ে আদালতে মামলা চলমান। তথাপিও কিছু শক্তিমান লোকের কাছে পরানরা জমি বিক্রি করে দিয়ে দখলে নেয়ার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়েছে। আমি মানবাধিকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল আউয়াল বলেন-‘উভয় পক্ষকে নিয়ে গত এক বছর ধরে বহুবার বসেছি। কোন সূরাহা করতে পারিনি। পাওয়ার সময় কানে শোনে, দেয়ার সময় হলে বধির হয়ে যায়। তাদের সমস্যার সমাধান করবে আদালত।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com