শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কাউখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ হরিণধারা-গোপালপুর সড়ক: খালের পেটে বিলীন হওয়ার পথে  গ্রামের যাতায়াতের মাধ্যম পূজায় আসছে মৌ খানের ‘স্নেহের বন্ধন’ মালিবাগে ‘কাচ্চি সরদার’-এর উদ্বোধন করলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর জে কে শান্ত ইতালি পাঠানোর নামে মালয়েশিয়ায় পাচার ও অর্থ আত্মসাৎ: চক্রের হোতাসহ গ্রেফতার ২ যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা

মিয়ানমারে ডেল্টা প্রকরণের সংক্রমণ দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১, ১২.০৫ পিএম
  • ৬৪৬ বার পড়া হয়েছে

সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানের ছয় মাস পর মিয়ানমারে এখন ব্যাপকভাবে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মে মাসের ২৫ তারিখে শুরু হওয়া তৃতীয় ঢেউয়ে, ডেল্টা প্রকরণের সংক্রমণে দ্রুত গতিতে প্রতিদিন মৃতের সংখ্যা বাড়ছে।জুলাই এর ২৩ তারিখে ৩২৬ জনের মৃত্যু হয়।এ পর্যন্ত করোনভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৬৪৫৯।

মিয়ানমারে ১৩,৪৮৭টি নমুনার মধ্যে ৫৫০৬টি নতুন সংক্রমণ লক্ষ্য করা হয় যা কিনা ৪০ শতাংশ। প্রকৃত সংখ্যা বেশি হতে পারে যেহেতু অনেকেই হাসপাতালে যেতে পারছেন না।

কবরস্থানগুলি সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই দ্রুত মরদেহগুলি সমাধিস্থ করতে হিমসিম খাচ্ছে। পর্যাপ্ত লাশ বহনের গাড়ি না থাকার কারণে ট্যাক্সি বা গাড়িতে করে তিন বা তার চাইতেও বেশি লাশ বহন করা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা ছবি ও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ইয়াঙ্গুনের কবরস্থানে সৎকারের জন্য মৃতদেহগুলো স্তূপ করে রাখা হয়েছে।

অভ্যুত্থানের পর থেকে স্বেচ্ছাসেবী এবং কর্মীরা মাস্ক ছাড়া অন্য কোনও সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম পরেন না। ইয়াঙ্গুনের ফ্রি ফিউনারেল অপারেটর এবং ত্রাণ কর্মীদের দাবি অনুযায়ী দিনে প্রায় এক হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। এতগুলো মৃতদেহ সৎকার করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

সান উইন থান, যার দাতব্য পরিষেবা মরদেহ পরিবহন করে, ভিওএকে বলেছে যে তার সংস্থাকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৪০টি মরদেহ কবরস্থানে পরিবহন করতে হয়। তবে তারা অনেক অনুরোধই রাখতে পারছেন না।

সান উইন থান বলেন, আমরা দিনে ৫০টি মৃতদেহ নিতে পারি না। মৃতদেহগুলি কবরস্থানে রেখে আসার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। তবে চাহিদা বেশি থাকায় আমরা এর চাইতে বেশি সময় অপেক্ষা করতে পারি না। কবরস্থানে মৃতদেহ পৌঁছে দিয়েই চলে যেতে হয় আরও মৃতদেহ নিয়ে আসার জন্য।

শুধু ইয়াঙ্গুনের পরিস্থিত এমন নয়। ম্যানডাল্যেতে ডাক্তার ও নার্সের অভাবে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। একজন ত্রাণ কর্মী ভিওএকে বলেছেন প্রতিদিন প্রায় ৬০জন রোগী মারা যায় কিন্তু আমরা কেবল ৩০টি মৃতদেহ কবরস্থানে নিতে পারি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com