এইচ,আর,হিরু,গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের এক পরিত্যক্ত বাড়ী হতে সরফরাজ আলী (৫৫) নামে এক বৃদ্ধর রক্তমাখা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।আজ রবিবার (১৮-জুলাই) উপজেলার কৃষ্ণপুর ছয়ঘরিয়া গ্রামের রাস্তা সংলগ্ন শাহ্ মোঃহাম্মাদ আলী মিঠুর পরিত্ত্যক্ত বাড়ীর সামনে হতে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।উদ্ধারকৃত বৃদ্ধ উপজেলার গুমাণীগঞ্জ ইউনিয়নের বিল ভর্তি গ্রামের বাসিন্দা।
বৃদ্ধের স্বজনরা জানান, গতকাল শনিবার বিকালে পাশ্ববর্তী দাড়িদহ বাজারে ঈদের কেনাকাটার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল সরফরাজ এরপর সে আর বাড়ী ফেরেনি।বাড়ীনা ফেরায় গতকাল রাত থেকে অনেক খোঁজাখুজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
স্বজনরা বলেন তবে আজ সকালে আমরা জানতে পারি পার্শবর্তী ছয়ঘরিয়া গ্রামের রাস্তা সংলগ্ন শাহ্ মোঃহাম্মাদ আলী মিঠুর পরিত্ত্যক্ত বাড়ীরসামনে সরফরাজ আলীর মুখে রক্তাক্ত মরদেহ পড়েআছে পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে গোবিন্দগঞ্জ থানার তদন্ত অফিসার্স ইনচার্জ তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআইমামুন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স এসে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন এবং বৃদ্ধর লাশ থানায় নিয়ে যায়।
বৃদ্ধর স্বজনদের অভিযোগ তাকে শ্বাস রোধে হত্যা করে লাশ ফেলে যাওয়া হতেপারে।স্বজনদেরঅভিযোগের আঙুল উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের বিলভর্তি গ্রামের দবিরের ছেলেআনোয়ার (৩০) গং দের দিকে।
বৃদ্ধর স্বজন ও এলাকাবাসীর অভিযোগব খাটে আনোয়ার সরফরাজ আলীর নাবালিকা মেয়ে নবম শ্রেনীর স্কুলছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে পথে-ঘাটে যাওয়া আসার পথে ইভটিজিং করে আসছিল। এই ইভটিজিং ও প্রেম প্রস্তাবের বিষয়টি মেয়েটি তার পরিবারকে জানালে পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ করে মেয়েরভাইএবং মেয়েটিকে বিরক্ত করতে বারণ করে।
এরপর থেকেই ক্ষিপ্ত আনোয়ার মেয়ের ভাইকে হুমকিধাম কিদিয়ে আসছিলো পরে মেয়ের ভাইকেনা পেয়ে আনোয়ার গংরা মেয়ের বাবাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ক্ষোভ মেটানো হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পারিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে।
এ বিষয় গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এ,কে,এম মেহেদী হাসান জানান, সরফরাজ আলী নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।লিখিতঅভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।