লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে জমিজমা বিষয়ক পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক নারীসহ ৫ জন রক্তাক্ত জখম হয়েছে। আহতরা লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। জানা গেছে, রায়পুর থানা কাউন্সিলের উত্তর পাশের পশ্চিম দেনায়েতপুর গ্রামের ইসমাইল মিজি বাড়ীর মৃত হাজী জালাল আহমেদের ছেলে ফয়েজ আহমেদ (৫৫), অলিউল্লাহ মিজির ছেলে আলী আসগর (৩৫), ফয়েজ আহমেদের ছেলে বেলাল হোসেন (২৪),মৃত হাবিবুল্লার ছেলে আবদুল ছমিদ, অলিউল্লার মেয়ে জাকেরা বেগমকে জমিজমা বিষয়ক পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ছফিউল্লাহর ছেলে আলমগীর হোসেন (৩০), অজিউল্লার ছেলে সোহেল (৩২),ইউসুফ, ওজি উল্লার ছেলে ওহিদউল্লাহ, সেলিমের ছেলে পাপ্পু (২৪),আবুল কালামের ছেলে আরজু (৩৫) ও মুন্না’সহ অজ্ঞাত সাত-আটজনের একটি সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনী মিলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়।

রক্তাক্ত জখম করাসহ প্রাণে হত্যা করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কুপিয়ে জখম করে। ফয়েজ আহমেদের স্ত্রী বিলকিস বেগম বাদী হয়ে রায়পুর থানায় মামলা দায়ের করলে (যার নাম ০৩, জি আর ৩৩৩) ইউসুফ নামের একজন গ্রেপ্তার হয়। মামলার বাদী বিলকিস বেগম বলেন-‘আমার বাবার সম্পত্তি অবৈধভাবে জবরদখল চেষ্টা করলে আমরা বাধা দেই।এতে সালিশ বৈঠকে বসলে প্রতিপক্ষ আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে বহিরাগত লোকজন দিয়ে আমাদের ঘরে হামলা করে। আশি শতাংশ সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে সালিশ বৈঠকে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে আলমগীরগংরা বহিরাগত ক্যাডার বাহিনী নিয়ে হামলা চালায়। এতে আলী আজগর ও ফয়েজ আহম্মদ মারাত্মক রক্তাক্ত জখম হয়। এ বিষয়ে আলমগীরের সাথে কথা বললে তিনি মারা মারির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন -‘আমরা বাহির থেকে কোন লোকজন আনিনি আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা রটানো হচ্ছে।’ এ বিষয়ে রায়পুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল জলিল বলেন- ‘এ বিষয়ে থানায় মামলা দায়ের করার পর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদেরকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।