শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকারকে ঝামেলায় ফেলতেই পতিত দোসররা নাশকতাসহ ষড়যন্ত্র করছে: ফরিদপুরে-রুহুল কবীর রিজভী জন্মদিনে নতুন প্রাপ্তির গল্প, আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের নৃত্যশিল্পী নাইমুজ ইনাম নাইম ইতিহাসের সেরা ফুটবলার দাবি রোনালদোর বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের তিনদিন পর এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু গাজীপুরের ড্রাগ ইন্টার ন্যাশনালের ওষুধ কারখানার আগুন সোয়া ৩ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২৯১০ মামলা বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এলপিজি নিয়ে জনগণকে জিম্মির চেষ্টা করলে আইনি ব্যবস্থা : জ্বালানিমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৩৩০ জন মারা গেছেন ২১ জন

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০, ৬.০৭ পিএম
  • ৩২৪ বার পড়া হয়েছে

 ৮ই মার্চ থেকে ৮ই এপ্রিল- এই এক মাসে করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঘটেছে উদ্বেগজনক হারে। ৮ই মার্চ শনাক্ত হয়েছিল মাত্র এক জন।  এপ্রিল মাসে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩০ জন। এরমধ্যে মারা গেছেন ২১ জন। বেসরকারি হিসেবে আরো অনেক বেশি। ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল চীনে এই হার ছিল ৪ শতাংশ।  স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে  নতুন করে  ১১২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত সারাদেশ থেকে ৫ হাজার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। টেস্টিং হচ্ছে ১৬টি ল্যাবে। প্রথম ২০ দিনে মাত্র একটি ল্যাবে পরীক্ষা হতো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, টেস্টের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একদম পিছিয়ে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত টেস্টের শতকরা হার প্রতি লাখে ২.২৩ ভাগ। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা এপ্রিল মাসটা সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই বলেছেন এপ্রিল মাসটা নিয়ে চিন্তায় আছি।

লকডাউনের আওতায় সারাদেশ থাকলেও নতুন করে কয়েকটি শহরে লকডাউন করা হয়েছে। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা, গাজিপুর, চট্টগ্রামসহ বড় বড় শহরগুলো থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। প্রবেশও করা যাচ্ছে না। ঢাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়ায় উদ্বেগের মাত্রা বেড়েছে। ২৪ ঘন্টায় ৪১ জন আক্রান্তের মধ্যে ২০ জনই ঢাকার। একারণে শতাধিক বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। উড়িয়ে দেয়া হয়েছে লাল পতাকা। কাউকে বের হতে দিচ্ছে না পুলিশ। কোন কোন স্থানে স্থানীয়রা লকডাউন করে দিচ্ছে। বাংলাদেশ করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় N-95 মাস্ক ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রি চেয়ে আন্তর্জাতিক পার্টনারদের কাছে জরুরি বার্তা পাঠিয়েছে। জাতিসংঘের একটি সিচুয়েশন রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রতিমাসে এখন জরুরি ভিত্তিতে ১২ লাখ পিপিই সেট দরকার। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৬৪ হাজার পিপিই সেট বিলি করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই সরকারি হাসপাতালে।

ওদিকে সিঙ্গাপুরে একদিনে ৪৭ জন বাংলাদেশি আক্রান্ত হয়েছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com