বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৩ দিনব্যাপী ‘যোসেফাইট টেক কার্নিভাল’ সম্পন্ন কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও মালামাল লুট, ঘরে মিলল বিবস্ত্র লাশ কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

মেয়েকে মানুষ করার জন্য ৩০ বছর ‘বাবা’ সেজে রইলেন বিধবা।

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২০ মে, ২০২২, ৪.১০ এএম
  • ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের তামিলনাড়ুর একটি গ্রামে লোকজনের চোখ এড়িয়ে মেয়েকে বড় করে তুলতে টানা ৩০ বছর ‘পুরুষ’ সেজে থাকতে হয়েছে বিধবা মহিলাকে।

তামিলনাড়ুর প্রত্যন্ত গ্রাম কাট্টুনায়াকানপতি। সেখানকার সমাজ এখনও এতটাই পিছিয়ে যে মেয়েদের, বিশেষত ঘরের বউদের বাইরে চাকরি করতে যাওয়াকে ভাল চোখে দেখে না কেউ। এতে একঘরে হওয়ার ভয়ও রয়েছে। আর সমাজের এই লঘুতার কারণে বেঁচে থাকার অন্য উপায় বেছে নিয়েছেন এস পেটচিয়াম্মাল। ৩০ বছর ধরে ‘পুরুষ’ সেজে রয়েছেন তিনি, একার হাতে সামলেছেন সংসার।

জানা গেছে ওই মহিলার বয়স যখন ২০ বছর, তখনই স্বামীকে হারাতে হয় তাকে।

এরপর একমাত্র কন্যাকে কীভাবে মানুষ করবেন তা ভেবে পাচ্ছিলেন না। কারণ খেটে খাওয়ার উপায় নেই। মেয়ে হয়ে চাকরি করতে বেরোচ্ছেন শুনলেই ক্ষেপে উঠবে গ্রামের লোকজন।

অনেক ভেবে তাই এই উপায় বের করেন পেটচিয়াম্মাল। নিজের স্বামীর ছদ্মবেশ ধরেন তিনি। মেয়ের মা নয়, বাবা হয়ে তাকে মানুষ করার জন্য পরিশ্রম শুরু করেন।

সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, কনস্ট্রাকশন সাইটে ঠিকে কর্মীর কাজ, কখনও বা চায়ের দোকানে মজুরের কাজ জুটেছিল তার। পেট চালাতে অনেকটা কষ্ট করতে হয়েছে। স্বামী মারা যাওয়ার পরেই মন্দিরে গিয়ে চুল কেটে ফেলেছিলেন তিনি। সঙ্গে শার্ট আর লুঙ্গি পরে থাকতেন। তিনি যে আসলে পুরুষ নন, সেই পরিচয় কেবল জানতেন তার আত্মীয়-পরিজন এবং কাছের মানুষরা। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ১০০ দিনের মজুরের কাজ, কোনও কাজই বাদ দেননি পেটচিয়াম্মাল। যখন যা পেয়েছেন তাই করেছেন। স্বামীর মুথুর নাম নিয়েই আধার কার্ড, ভোটার কার্ডের মতো সরকারি নথিপত্র তৈরি করেছিলেন তিনি। হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে টাকা জমিয়েছেন কেবল মেয়ের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে।

এখন মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। তবে নিজের বেশ বদলাননি পেটচিয়াম্মাল। আমৃত্যু স্বামীর পরিচয়েই বাঁচতে চান তিনি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com