মোস্তাফিজুর, রহমান চট্টগ্রামঃ নগরীর ইপিজেড থানাধীন ৩৯নং ওয়ার্ড বন্দরটিলা বাজারের পিছনে শফিক বিল্ডিং এর সাত তালায় তাজনাহার আক্তার নুপুর(১৯) নামে একজন নারী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
২৭এপ্রিল বুধবার অনুমানিক ১টা ৩০মিনিটের সময় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে যানা গেছে।তাজনাহার আক্তার নুপুরের পিতা মোঃ তাজুল ইসলামের,গ্রামের বাড়ী দক্ষিণ রাইছা,পোস্ট অফিস দক্ষিণ রাইছা,থানা চরফ্যাশন,জেলা ভোলা,বর্তমান ঠিকানা,বন্দরটিলা কাচা বাজার শফিক বিল্ডিং,থানা ইপিজেড,জেলা চট্টগ্রাম।
তাজনাহার আক্তার নুপুরের আত্নহত্যার ব্যাপারে গণমাধ্যমকর্মীকে খবর দেয় ঔ এলাকার এক প্রতিবেশি,খবর পেয়ে গণমাধ্যকর্মীর একটি টিম ছুটে যায় বন্দরটিলা ফ্যামিলি হেলথ কেয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।
তাজনাহার আক্তার নুপুরের আত্নহত্যার
ব্যাপারে তাজুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি গনমাধ্যমকর্মীদেরকে দেখে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং কথা বলার চেষ্টা করলে সে গণমাধ্যমকর্মীকে দেখার সাথে সাথে এক স্থান থেকে অন্য আর এক স্থানে চলে যায়,বারবার কথা বলার চেষ্টা করি তাজুল ইসলামের সাথে অনেক চেষ্টার পরে মুখ খুলছেন না,এক পর্যায়ে তাজুল ইসলাম বলেন আমার মেয়ের একটু শরীর স্বাস্থ্য খারাপ ছিল এজন্য তাকে আমরা,ফ্যামিলি হেলথ কেয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে,নিয়ে আছি।এবং মেডিকেল থেকে তখন একজন মহিলা ডক্টর আমাকে একটা পিকসিকশন দিয়ে বলেন আপনারা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলে যান,এর পরে আমি আমার মেয়েকে নিয়ে নিচে নামি,বলে জানান গণমাধ্যমকর্মীদেরকে।পুড়া বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীর কাছে কেমন জানি ঘাবলা মনে হয়েছিল,তাজনাহার আক্তার নুপুরের আত্নহত্যাতে।
গণমাধ্যমকর্মীরা বহুবার চেষ্টার পরে তাজুল ইসলাম মুখ খুললেন,এবার গনমাধ্যমকর্মীকে বলেন,আমার মেয়ে আত্নহত্যা করেনি আমার মেয়ের স্বাভাবিক ভাবে মৃত্যু হয়েছে বলে কাটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন, তাজুল ইসলাম ও তার পরিবারের সজনরা।
তাজনাহার আক্তার নুপুরের মৃত্যুর পরে ও ফ্যামিলি হেলথ কেয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মহিলা ডক্টর মৃত ব্যক্তিকে কিভাবে পিকসিকশন লেখে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মৃত ব্যক্তির পিকসিকশনের ব্যাপারে ফ্যামিলি হেলথ কেয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুড়া বিষয়টি অশিকার করেন।হাসপাতালের ঔমহিলা ডক্টরের মোবাইল নাম্বার চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মোবাইল নাম্বার দিতে নিষেধ করেন বলে জানান রিসিপশনে বসা দুই মহিলা লাঞ্চ।এতে সাধারণ মানুষ মনে করছে এই হাসপাতাল মোটা অংকের টাকা খেয়ে এই পিকসিকশনটি দিয়েছেন।
তাজনাহার আক্তার নুপুর এর মৃত্যুর ব্যাপারে শফিক বিল্ডিং এর ইনচার্জ তসলিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীকে বলেন,ভাই আমি জানি না,আমি নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে গিয়েছি এরপরে আমি নামাজ শেষ করে চলে আছি,এসে দেখি তাজনাহার আক্তার নুপুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে,পরে লাশটি তার বাবা মা ফ্লোরে নামিয়েছে এর পরে তাকে মেডিকেল নিয়ে যায় তার বাবা মা।
তাজনাহার আক্তার নুপুরের আত্নহত্যার ব্যাপারে শফিক বিল্ডিং এর মালিক শফিক আজমের মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি মুঠোফোনটি রিসিভ করেননি।
তাজনাহার আক্তার নুপুরের মৃত্যুর বিষয়টি ইপিজেড থানায় অবগত করার পরপরেই ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ কবিরুল ইসলাম থানা থেকে এসআই শামীমকে ঘটনাস্থলে পাঠান,পুলিশ আসার পরে মৃত তাজনাহার আক্তার নুপুর এর বাবাকে বলেন,এটা কি স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে,নুপুরের বাবা বলেন জ্বি স্যার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে কাটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।
পরে পুড়া বিষয়টি আবারো দেখেন এসআই শামীম,প্রথমে মেয়েটাকে দেখে বলেন এটা স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে,এর পরে,আর ও ভালোভাবে তদন্ত করেন ইপিজেড থানার সেকেন্ড অফিসার নুরুজ্জামান,তিনি বলেন এটা স্বাভাবিক মৃত্যু না বলে জানান।
তিনি বলেন মৃত ব্যক্তির লাশটি থানায় পাঠানো হচ্ছে এবং লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য আমরা মর্গে পাঠাব,ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই বলতে পারব এটা স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি আত্মহত্যা,বলে জানান ইপিজেড থানার সেকেন্ড অফিসার নুরুজ্জামান,পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ কবিরুল ইসলাম।
হঠাৎ করে কি এমন ঘটনা ঘটেছে,যা অকালে হারাতে হল তরতাজা একটি প্রাণ,এই আত্নহত্যার বিস্তারিত আসছে পরের সংবাদে চোঁখ রাখুন দৈনিক তালাশ টাইমস পত্রিকায়।