মাহমুদুর রহমান(তুরান),ভাঙ্গা,(ফরিদপুর)থেকে: প্রতিটি মানুষের
স্বপ্ন থাকে। কিন্তু স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে
থাকে প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা টপকে এগিয়ে
যাবেন তিনিই হবেন সফল। আজ এমনই একজন সমাজ সেবক
নিয়ে কথা বলব। যিনি অনেক বাধা ও প্রতিবন্ধকতা টপকে একজন
সফল ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি আর কেউ নন। তিনি হলেন
ভাঙ্গার ইতিহাসের সফল ও জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান
এস.এম.হাবিবুর রহমান ।
হাবিব ভাঙ্গার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরনে নিরর কাজ করে
যাচ্ছেন। তারপরও মানুষের প্রত্যাশা থাকে। তিনি, তাঁর পরিশ্রম,
সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার সমন্বয়ে সাধারন
মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য, ওবায়দুল কাদেরের উন্নয়ন কর্মকান্ড
সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের জন্য, সর্বোপরি শেখ
হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন
বাস্তবায়নের জন্য এবং আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের
জয়লাভের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
মিজানুর রহমান বাদল এ কাজে সফলও হয়েছেন। সকলের সহযোগীতা
পাচ্ছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সফলতা পাওয়ায় তিনি আজ
কোম্পানীগঞ্জের সর্বত্র সম্মানিত হচ্ছেন। তারুন্যের প্রতীক এ
ব্যক্তি তাঁর বয়স ও অভিজ্ঞতা দুটিকেই হার মানিয়েছেন। তাঁর
কর্মকান্ডে মনে হয় তিনি নবীন নয়। তিনি অনেক প্রবীন। তার
অভিজ্ঞতা অনেক।
এসকল সফল মানুষের পেছনে আছে কিছু গল্প, তা অনেকটা
রূপকথার মতো। আর সে সব গল্প থেকে মানুষ খুঁজে নেয় স্বপ্ন
দেখার সম্বল, এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন প্রেরণা।
কথা বলছিলাম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সফল চেয়ারম্যান ও
জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল(৪৬)
সম্পর্কে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের দ্বায়িত নেওয়ার পর থেকেই
উপজেলায় ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে উল্লেখযোগ্য উন্নয়নে
অগ্রণী ভূমিকা রেখে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম
হয়েছেন । এলাকার হতদরিদ্র মানুষের উন্নয়নে তাঁর নিরন্তর
প্রয়াস সব মহলেই প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। রাস্তা ঘাটের
উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদান, সামাজিক
উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয়
দিয়ে এলাকায় নিজের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। করেছেন ওবায়দুল
কাদেরের মুখ উজ্জ্বল। তার সাথে দলের ভাবমূর্তির উন্নয়ন হয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার আলোকিত মুখ হিসাবে পরিচিত এ
মানুষটি নিজের সাফল্যের কারনে বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক
নানা ভাবে প্রশংসিতও হয়েছেন। অসংখ্য মসজিদ,মাদ্রাসা, স্কুল-
কলেজ, এতিমখানাসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক
সংগঠনের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক সমাজসেবী মিজানুর রহমান বাদল।
ব্যক্তি জীবনে তিনি অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, সদাহাস্যোজ্জ্বল ও সাদা
মনের মানুষ। তাঁর মাঝে কোন অহংকার নেই। নিরহংকারী এই
মানুষটি দলমত নির্বিশেষে আজ সকলের কাছে প্রিয়।
গত উপজেলা নির্বাচনের সময় অনেক প্রবীন আ’লীগ নেতাকে
পেছনে ফেলে তিনি পেয়েছেন দলীয় মনোনয়ন। ওবায়দুল কাদের
বাদলের কর্মকান্ডে তুষ্ট হয়ে তাকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। ওবায়দুল
কাদেরের সেই আস্থার প্রতিদানও দিচ্ছেন তিনি। কাজ করে
যাচ্ছেন, দলের জন্য। কাজ করছেন ওবায়দুল কাদেরের জন্য। কাজ করছেন
নৌকার জন্য। সর্বোপরি কাজ করছেন সাধারণ মানুষের জন্য।
বয়সে তরুন হলেও তিনি মনোবল হারাননি। এই সফল মানুষটি দলীয়
নেতাকর্মী থেকে শুরু করে প্রতিটি মানুষের বিপদ আপদে ছুটে
যান। এলাকায় তিনি একজন সাদা মনের উদার মানসিকতার ও দানশীল
মানুষ হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছেন।
কোম্পানীগঞ্জের সাধারণ মানুষের মতে, আমরা নেতা বা উপজেলা
চেয়ারম্যান বুঝিনা। মিজানুর রহমান বাদল একজন ভাল মানুষ।
তিনি একজন কর্মঠ মানুষ। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে থাকলে
আমাদের উপকার হবে। আমাদের দু:খ দুর্দশায় তাঁকে সহজেই পাশে
পাওয়া যায়।
একান্ত আলাপচারিতায় উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল
এই প্রতিবেদককে বলেন, এলাকাটি উপকূলীয় হওয়ায় দ্বায়িত্ব
নেয়ার পর থেকে তাদের উন্নয়নে বেশী পরিশ্রম করতে হয়েছে।
বিশেষ করে দক্ষিনাঞ্চলের মানুষ সারা জীবন নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়ে
থাকে। আমি আমার নেতা ওবায়দুল কাদেরের সহযোগীতা নিয়ে
তাদের ভাগ্য উন্নয়নে সবসময় পাশে ছিলাম। ভবিষ্যতেও আমার নেতা
দেশের জনপ্রিয় মন্ত্রী আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নোয়াখালী-৫
আসনের মানুষের আশা-আখাঙ্কার প্রতীক ওবায়দুল কাদেরের
নির্দেশে তাঁর উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনায় প্রয়োজনে জীবন
উৎসর্গ করব। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে
নিজেকে সপে দিব। সৃষ্টিকর্তা আমাকে এ তৌফিক দান করুন।