শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে সৌহার্দ্য ফার্মেসিতে চুরি হওয়া  ১৭ লাখ টাকার ওষুধ উদ্ধার হয়েছে গোবিন্দগঞ্জে গ্রেফতার ৪  হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮১ লিটার বিদেশি মদ জব্দ প্রিজনভ্যান থেকে পালানো ‘পিচ্চি রাজার’ সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রী পিরোজপুরে নতুন ডিসি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন গোলাম রব্বানী ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে কুলিক নদীর কুলে কুকুরের মুখ থেকে নবজাতক উদ্ধার পরকীয়ার অভিযোগ, একের পর এক সংসার ভাঙার গল্প মহিদুলকে ঘিরে বায়েজিদ সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ, আহ্বায়ক আলী আহমদ শাহিন, সদস্য সচিব মুজিব উল্ল্যাহ তুষার জমকালো আয়োজনে ‘দৈনিক ঘোষণা’র প্রধান নির্বাহী সম্পাদক এস এম জহিরুল ইসলামের জন্মদিন উদযাপন শিক্ষা ফলাফল নয়, ভবিষ্যৎ গড়ার পাঠ চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে অভিভাবক-শিক্ষক সংলাপ

পরকীয়ার অভিযোগ, একের পর এক সংসার ভাঙার গল্প মহিদুলকে ঘিরে

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ২.১৮ পিএম
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ- বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চর সেনাকুড় সরদারপাড়ার মো. মহিদুল ইসলাম (৩৮)-এর বিরুদ্ধে এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সংসার ভাঙার পরিস্থিতি তৈরি, অর্থ ও স্বর্ণ নেওয়া এবং পরে ওই নারীকে নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মহিদুলের প্রথম স্ত্রী কচুয়া থানায় অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফকিরহাট থানাধীন এলাকার মো. হান্নান (৪৭)-এর স্ত্রী নাইমা খানম (৩০)-এর সঙ্গে প্রায় দুই বছর আগে মহিদুলের সম্পর্ক তৈরি হয়। পরিবারের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রলোভনের মাধ্যমে নাইমার সংসার ভাঙার পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। নাইমার ১০ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

এলাকার তথ্যসূত্রের দাবি, বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর নাইমাকে চট্টগ্রামে তার বোনের বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং মহিদুলের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রাখতে বলা হয়। সম্প্রতি বাবার চিকিৎসার কথা বলে নাইমা তার বোনের তিন ভরি স্বর্ণ এবং ভগ্নিপতির কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা ধার নেন। চট্টগ্রামে এসে স্বর্ণ ও টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ, একই পরিবারের সঙ্গে বসবাসের সুযোগ নিয়ে ব্ল্যাকমেইল, চুরি ও বিশ্বাসভঙ্গের মতো ঘটনা ঘটানো হয়েছে।আইনি ভাবে এসব কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৩৭৯, ৩৮০, ৪২০ ও ৪২৫ ধারার শামিল।

অভিযোগ রয়েছে, কচুয়ায় যাওয়ার পর নাইমার সঙ্গে মহিদুলের দেখা হয়। পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে নাইমাকে একাধিকবার মহিদুলের ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা জানতে পারার পর গত প্রায় ১০ দিন ধরে নাইমা ও মহিদুলের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে তার পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন।

পরিবারের অভিযোগ, তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অধিকাংশ সময় ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এদিকে নাইমার মাধ্যমে তার বোন, ভগ্নিপতি ও বাবাকে ভয়ভীতি দেখানো এবং আইনি পদক্ষেপ নিলে মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের আরও দাবি, মহিদুলের স্ত্রী ও দুই মেয়ে থাকা সত্ত্বেও এর আগে তিনি আরও তিন থেকে চারটি বিয়ে করেছেন। তার বিরুদ্ধে নারীসংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগের পাশাপাশি মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে এলাকাবাসীর।

স্থানীয়ভাবে মহিদুল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত হলেও কচুয়া বাজারে তার দোকানটি ছোট ভাই পরিচালনা করেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। দীর্ঘদিন এলাকার বাইরে অবস্থান করে তিনি বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে মহিদুল ইসলামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নাইমা খানমের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ নারী এবং তার সঙ্গে থাকা স্বর্ণ ও টাকা উদ্যরের দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের উত্থাপিত অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে বলেও গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন।সংশ্লিষ্টদের উদ্ধার করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com