ছোট ভাই মো. আশরাফ উদ্দিন ভূঞা আসাদ জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেছেন।
নির্বাচনে ১৬৯ ভোটের ব্যবধানে বড় ভাইকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মো. আশরাফ উদ্দিন ভূঞা আসাদ। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৯১ ভোট।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বড় ভাই আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. গোলাপ হোসেন ভূঞা। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৭২২ ভোট।
এ ইউনিয়নে মোট পাঁচজন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বাকি তিন প্রার্থীর মধ্যে ৩ হাজার ৪১৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জিল্লুর রহমান (ঘোড়া)।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী স্বপন (আনারস) ১ হাজার ৭৭৪ ভোট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মোহাম্মদ দিলওয়ার হোসেন (হাত পাখা) ৩৫৯ ভোট পেয়েছেন।
দিগদাইড় ইউনিয়নের বরুহা গ্রামের মৃত ছায়েব আলী ভূঞার দুই ছেলে মো. গোলাপ হোসেন ভূঞা গোলাপ ও মো. আশরাফ উদ্দিন ভূঞা আসাদ পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। উভয়েই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
কিন্তু আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হয় বড় ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. গোলাপ হোসেন ভূঞা গোলাপকে।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন ছোট ভাই মো. আশরাফ উদ্দিন ভূঞা আসাদ।
দুই ভাইয়ের লড়াইয়ে স্বল্প ব্যবধানে শেষ হাসি হাসেন ছোট ভাই মো. আশরাফ উদ্দিন ভূঞা আসাদ।