মোস্তাফিজুর রহমান চট্টগ্রাম প্রতিনিধি। ২৪অক্টোবর নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রি বন্ধের লক্ষ্যে দেশের সকল ফার্মেসিকেই ‘মডেল ফার্মেসি ও মডেল মেডিকেল সপ’র আওতায় আনার কাজ করছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। গতকাল(শনিবার) সকালে নগরীর মেহেদীবাগস্থ ন্যাশনাল হাসপাতালের মডেল ফার্মেসি উদ্বোধনকালে এমন তথ্য জানিয়েছেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, ২০১৭ সালে গ্রহণ করা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ‘মডেল ফার্মেসি’র ‘পাইলট’ প্রকল্পের এই কার্যক্রমে ইতোমধ্যে পাঁচশ’র অধিক ফার্মেসিকে মডেল ফার্মেসির আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া ৩৬ হাজারের বেশি ফার্মেসিকে ‘মডেল মেডিসিন শপে’ রূপান্তর করা হয়েছে। বাকিসব ফার্মেসিকে আগামী দেড় বছরের মধ্যে মডেল ফার্মেসি ও মডেল মেডিসিন শপের আওতায় আনা হবে। এ নিয়ে ওষুধ প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান আরও বলেন, অনেক ফার্মেসি উদ্বোধন করেছি, তবে ন্যাশনাল হাসপাতালে এ ফার্মেসি ওষুধ প্রশাসনের নিয়মকানুন মেনেই ফার্মেসি চালু করেছে। এটি অত্যন্ত ভালো লেগেছে। একটা মডেল ফার্মেসি হওয়ার মতো যা যা দরকার সবকিছুই এখানে আছে। এভাবেই চট্টগ্রামসহ সারাদেশে মডেল ফার্মেসি ও মডেল মেডিসিন শপের ধারণা ছড়িয়ে দিতে চাই। নিয়ম অনুযায়ী একটি মডেল ফার্মেসিতে ফার্মাসিস্ট নিয়োগসহ ওষুধ বিক্রির সব ধরনের মান বজায় রাখবে। তারা যে ওষুধ বিক্রি করছে সেই ওষুধ সম্পর্কে ক্রেতাদের সংক্ষিপ্ত ধারণাও দেবে। এই ব্যবস্থা চালু থাকলে ভুয়া ও নকল ওষুধ বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, মডেল ফার্মেসিগুলোতে ক্যাটাগরি (এ ও বি) অনুযায়ী কোল্ড চেইন অনুসরণ করে ওষুধ সংরক্ষণ করে থাকেন। সাধ্য মোতাবেক কেউ শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের সুব্যবস্থা করতে পারে। যার ফলে ওষুধের গুণাগুণ ও মানও ঠিক থাকে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহিদুল আনোয়ার, আমজাদ হোসেন প্রমুখ।