রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কাউখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ হরিণধারা-গোপালপুর সড়ক: খালের পেটে বিলীন হওয়ার পথে  গ্রামের যাতায়াতের মাধ্যম পূজায় আসছে মৌ খানের ‘স্নেহের বন্ধন’ মালিবাগে ‘কাচ্চি সরদার’-এর উদ্বোধন করলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর জে কে শান্ত ইতালি পাঠানোর নামে মালয়েশিয়ায় পাচার ও অর্থ আত্মসাৎ: চক্রের হোতাসহ গ্রেফতার ২ যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা

পাপিয়ার সাড়ে ১১ কোটি টাকার অর্থসম্পদ থাকার তথ্য পেয়েছে পুলিশ

  • আপডেট সময় শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১, ২.৫১ পিএম
  • ২২৭ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নুর পাপিয়ার সাড়ে ১১ কোটি টাকার অর্থসম্পদ থাকার তথ্য পেয়েছে পুলিশ ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুটি সংস্থাই বলছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পাপিয়া এই সম্পদ অর্জন করেছেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও দুদক বলছে, প্রতারণা, অনৈতিক কাজ, মাদক কারবার, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন পাপিয়া। তাঁর স্বামী মফিজুর রহমানও (সুমন চৌধুরী) এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দুদক ৬ কোটি ২৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে। সংস্থাটি পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্রও দিয়েছে।

অন্যদিকে অর্থ পাচার বা মানি লন্ডারিং আইনের মামলার তদন্তে সিআইডি ৫ কোটি ৯ লাখ টাকা অবৈধ বা অপরাধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আয়ের প্রমাণ পেয়েছে। অর্থাৎ দুটি সংস্থার তদন্তে বহিষ্কৃত এই যুবলীগ নেত্রীর ১১ কোটি টাকার বেশি অর্থসম্পদ থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে প্রতারণা, অনৈতিক কাজ, মাদক বিক্রি, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন পাপিয়া।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, পাপিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলা এবং অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের আর দুটিসহ মোট তিনটি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। শুধু মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলার তদন্ত এখনো শেষ করতে পারেনি সিআইডি। পাপিয়া এখন কাশিমপুর নারী কারাগারে বন্দী আছেন।

মামলাগুলো তদন্তের সঙ্গে যুক্ত সিআইডির কর্মকর্তারা বলেছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলার তদন্ত অনেক দিন থেমে ছিল। এখন এই মামলার তদন্ত আবার জোরেশোরে শুরু হয়েছে।পাপিয়ার বিরুদ্ধে হওয়া মানি লন্ডারিং আইনের মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট সিআইডি কর্মকর্তারা বলেন, পাপিয়ার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমের ৫ কোটি ৯ লাখ টাকা আয় করেন। গ্রেপ্তারের আগে ২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি গুলশানের ‘ওয়েস্টিন’ হোটেলে ৪ মাস ১০ দিন অবস্থান করেন। পাপিয়ার নামে বরাদ্দ হোটেলটির প্রেসিডেনশিয়াল স্যুটের বিলই দেন ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

এখন পর্যন্ত র‌্যাবের দায়ের করা অবৈধ অস্ত্র রাখার মামলায় পাপিয়া ও তাঁর স্বামী মফিজুর রহমানকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের তিন মামলায় র‌্যাব অভিযোগপত্র দিয়েছে। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় গত বছরের অক্টোবরে আদালত পাপিয়া ও তাঁর স্বামীকে সাজা দিয়েছেন নিম্ন আদালত।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com