মো:মনসুর আলী, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের সনগাঁও গ্রামে চলাচলের রাস্তার কালভার্ট ধ্বসে গর্তে সৃষ্টি হওয়ায় তা মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে প্রায় সময়ে ঘটছে ছোটখাট দুর্ঘটনা। স্থানীয়রা জানায়, জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সনগাঁও সাবেক ইউপি সদস্য আজিম উদ্দীনের বাড়ীর সামনের রাস্তা দিয়ে দৌগাছি, কুয়াটোল, বারঘরিয়া ও চৌরঙ্গীসহ আশপাশের ১০টি গ্রামের মানুষ নিয়মিত চলাচল করে।
ওই সড়কের কালভার্টের মধ্যখানে ভেঙ্গে গেছে দীর্ঘ চারমাস আগে। এ কারণে ওই সড়ক দিয়ে বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল ছাড়া অন্যান্য বড় ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। রাতের অন্ধকারে অপরিচিত লোকজন ওই রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে প্রায় সময়েই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, গত চার মাস ধরে এমন ভোগান্তির কথা স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ইউনিয়ন পরিষদকে জানালেও প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।শুধু প্রতিকার নয়, এখন পর্যন্ত কোন কর্মকর্তা বা জনপ্রতিনিধি ঘটনাস্থলটি পরিদর্শনে আসেননি। জানা গেছে, রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন ওই এলাকার মানুষ কালমেঘ, বালিয়াডাঙ্গী, চৌরাঙ্গী, লাহিড়ী বাজারে যাতায়াত করেন দুই হাজারের বেশি মানুষ। কালভার্টটি ধ্বসে পড়ার পর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার ঘুরে এসব বাজারে যেতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মশিউর রহমান জানান, প্রতিদিন রাতের বেলা লোকজন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। সনগাঁও গ্রামের এক যুবক ও পাহাড়ভাঙ্গা গ্রামের এক বয়স্ক ব্যক্তি রাতের আধারে গর্তে পড়ে গিয়ে মোটর সাইকেল ভাঙ্গার পাশাপাশি নিজেরাও আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রকৌশলীকে একাধিকবার ফোন করলেও কোন সদুত্তর পায়নি।
কালভার্টটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান তিনি। স্বেচ্ছাসেবী স্বাধীন সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ রায়হান দুলু জানান, পথচারীদের গর্তে পড়া থেকে সতর্ক করতে লাল কাপড় টেনে দেওয়াসহ স্থানীয়রা বাঁশ দিয়ে সংস্কার করলেও দুদিনের মাথায় সেগুলো আবার ধ্বসে গেছে। কালভার্টটি দ্রুত সংস্কারের পদক্ষেপ না নিলে যে কোন সময়ে বড় দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। এ ব্যাপারে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম জানান, বিষয়টি কেউই আমাকে জানায়নি। আপনার কাছে শুনলাম। সহকারীকে পাঠিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দেন তিনি।