শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বুলবুল আহমেদের অর্জিত পুরস্কার সামগ্রি সংরক্ষিত হবে ফিল্ম আর্কাইভে সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে এমপি বাবুল রুহিয়া থানার নবাগত ওসির সাথে গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময় সাংবাদিক দিলীপ কুমার দাস “হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে কষ্টে কাটছে তাঁর জীবন স্ক্যাম কম্পাউন্ডে জিম্মি করে নির্যাতন কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩৮ বাংলাদেশি শাহজালাল বিমানবন্দরে উড়োজাহাজের আসনের নিচে মিলল ২০ কোটি টাকার স্বর্ণ, উদ্ধার ৮০ বার উচ্ছেদের পরও থামেনি জুয়ার কারবার, আমবাগানে ওসমানের নতুন আস্তানা—গ্রেপ্তার ৬ চট্টগ্রামে ৮ মামলার আসামি রকিব ইপিজেড থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার এভিয়েশন হাবে রূপান্তরে জাপানের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ গণপতি চক্রবর্তী পরিবার হত্যার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ

ঢাকার ৫টি হাসপাতালে আজ নভেল করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২১, ১.২১ পিএম
  • ৩৪৬ বার পড়া হয়েছে

আজ বৃহস্পতিবার সকালে  ঢাকার ৫টি হাসপাতালে  করোনাভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে টিকা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে ৫জনকে টিকা দেওয়া হয়। পরে আরো কয়েকজনকে টিকা দেওয়া হয়।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তাকে টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়। করোনার টিকা নিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

টিকাদান উদ্বোধনের পর ঢাকার যে ৫টি হাসপাতালে আজ  টিকা দেওয়া হবে সেগুলো হলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক এবং করোনা টিকা কর্মসূচির মুখপাত্র ডা. নাজমুল ইসলাম জানিয়েছেন, আজ ঢাকার পাঁচ হাসপাতালে পাঁচ শতাধিক ব্যক্তিকে টিকা দেওয়ার কথা আছে। এরপর সাত দিন বিরতি দেওয়া হবে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে টিকা দেওয়া শুরু হবে। সেটাই মূল কর্মসূচি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, টিকায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, এটা ধরে নিয়েই টিকা দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় ইম্যুনাইজেশন কর্মসূচির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ আছে। করোনা টিকার জন্য বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। যেসব হাসপাতালে টিকা দেওয়া হবে, সেখানে মেডিকেল টিম থাকবে। ওই টিমে বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকবেন। টিকা কর্মসূচিতে ৪২ হাজার কর্মী কাজ করবেন। তাঁদের মধ্যে ১৪ হাজার টিকা দেবেন।

বাকিরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করবেন। স্বেচ্ছাসেবকেরা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির। আর যেসব হাসপাতালে এই টিকা দেওয়া হবে, তাদের জনবলও এই কর্মসূচিতে যুক্ত থাকছে।

বাংলাদেশে যেহেতু করোনা টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়নি, তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল অনুযায়ী প্রথমে টিকা পাওয়া ব্যক্তিদের পর্যবেক্ষণ করা হবে। সব ঠিক থাকলে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com