শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বুলবুল আহমেদের অর্জিত পুরস্কার সামগ্রি সংরক্ষিত হবে ফিল্ম আর্কাইভে সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে এমপি বাবুল রুহিয়া থানার নবাগত ওসির সাথে গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময় সাংবাদিক দিলীপ কুমার দাস “হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে কষ্টে কাটছে তাঁর জীবন স্ক্যাম কম্পাউন্ডে জিম্মি করে নির্যাতন কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩৮ বাংলাদেশি শাহজালাল বিমানবন্দরে উড়োজাহাজের আসনের নিচে মিলল ২০ কোটি টাকার স্বর্ণ, উদ্ধার ৮০ বার উচ্ছেদের পরও থামেনি জুয়ার কারবার, আমবাগানে ওসমানের নতুন আস্তানা—গ্রেপ্তার ৬ চট্টগ্রামে ৮ মামলার আসামি রকিব ইপিজেড থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার এভিয়েশন হাবে রূপান্তরে জাপানের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ গণপতি চক্রবর্তী পরিবার হত্যার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ

আজ সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী

  • আপডেট সময় রবিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২১, ১.২৬ পিএম
  • ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। সৈয়দ আশরাফ ২০১৯ সালের এই দিনে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারে পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতার নির্মম হত্যাকান্ডের পর তিনি যুক্তরাজ্য চলে যান। প্রবাস জীবনে তিনি যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আশরাফুল ইসলাম ১৯৯৬ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং কিশোরগঞ্জ সদর আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় তিনি নির্বাচিত হন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি এক কন্যার জনক। তাঁর স্ত্রী শিলা ইসলাম ২০১৭ সালের অক্টোবরে মারা যান।
সৈয়দ আশরাফ ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অন্যতম সংগঠক ছিলেন। সৈয়দ আশরাফ ছাত্র জীবনে ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনি ময়মনসিংহ জেলার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তিনি ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
আশরাফুল ইসলাম ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশ নেন। তিনি মুক্তিবাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। ভারতের দেরাদুনে প্রশিক্ষণ নেন তিনি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com