শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
পূজায় আসছে মৌ খানের ‘স্নেহের বন্ধন’ মালিবাগে ‘কাচ্চি সরদার’-এর উদ্বোধন করলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর জে কে শান্ত ইতালি পাঠানোর নামে মালয়েশিয়ায় পাচার ও অর্থ আত্মসাৎ: চক্রের হোতাসহ গ্রেফতার ২ যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার

লক্ষীপুরের কামারেরা অলস সময় পার করছেন !

  • আপডেট সময় সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০, ৭.৫৪ পিএম
  • ২৬৪ বার পড়া হয়েছে
অ আ আবীর আকাশ,লক্ষ্মীপুর:
লক্ষীপুরের কামারেরা অলস সময় পার করছেন  মুসলমানদের ধর্মীয়  কোরবানির ঈদ সামনে থাকা সত্ত্বেও তাদের হাতে নেই কোন কাজ। টানতে হয় না হাপর, পুড়তে হচ্ছে না কয়লা।অতিতে যারা টানত হাপর, পুড়ত কয়লা, জ্বলত লোহা। হাতুড়ির লাগাতার বাড়িতে তৈরী হতো ছুরি, হাসুয়া, কাছি, দা, বটি, চাপাতিসহ ধারালো সব যন্ত্রপাতি।
লক্ষ্মীপুরের সদরসহ পাঁচ উপজেলার বাজারগুলোতে কামারশালাগুলো এসময়গুলোতে মুসলমানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় উৎসব কুরবানীর ঈদে হাতুড়ি আর লোহার টুং টাং শব্দে মুখরিত থাকতো। কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে সেই শব্দগুলো এখন আর শোনা যায় না।
সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিরামহীনভাবে জ্বলত কামার দোকানের চুলার আগুন। তাই কয়লার চুলায় দগদগে আগুনে গরম লোহার পিটুনিতে টুং টাং শব্দে মুখর হয়ে থাকত কামার শালাগুলো। আর সামনে আগুনের শিখায় তাপ দেয়া হাতুড়ি পেটানোর টুং টাং শব্দে তৈরি হচ্ছে দা-বটি, চাপাতি ও ছুরি। তাই যেন দম ফেলার সময় ছিল না কামারদের। নাওয়া-খাওয়া ভুলে দিন রাত কাজ করতেন কামাররা।
কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যেতেন তারা। সারা বছর তেমন কাজ না থাকলেও কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে কয়েকগুণ ব্যস্ততা বেড়ে যেত কামারদের। কিন্তু এবার করোনা ভাইরাসে কারণে তেমন কোন কাজ নাই বেচা বিক্রি নেয় বললে চলে। করোনার কারনে এবার কুরবানি কম হবে মনে হচ্ছে। এ কারনে কামারদের নেই কোন কাজ ও ব্যবসা বাণিজ্য।
জেলার রায়পুরের চরবংশির মোল্লারহাট বাজারের দিন সরজমিনে কয়েকজন কামারের সাথে কথা বলে জানা যায়, পশুর চামড়া ছাড়ানো ছুরি ১০০ থেকে ২০০ টাকা, দা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, বটি ৩০০ থেকে ৫০০ পশু জবাইয়ের ছুরি ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাপাতি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কুরবানির ঈদ উপলক্ষে কয়লা ও শ্রমিকের মূল্য বেড়ে গিয়েছে। আগে প্রতি বস্তা কয়লার দাম ছিলো ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। সেই কয়লা এখন আমাদের ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। তাই আমরা চাপাতি, ছুরি ও দায়ের দাম একটু বেশি নিচ্ছি। তা না হলে আমাদের লাভ হবে না।
রামগন্জ, মান্দারি, চন্দ্রগন্জ ও কমলনগরের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে কামারদের নেই ব্যস্ততা। পশু জবাইয়ের সরঞ্জামাদি কিনতেও লোকজনের ভিড় নেই দোকানে। অন্য কুরবানির ঈদে যেমন শ্রমিক বেশি লাগত এই ঈদে তেমন শ্রমিক লাগছে না। এজন্য প্রায় বেশির ভাগ শ্রমিকরা অবসর সময় পার করছেন।
রায়পুর পৌরসভার কামার অজিত কর্মকার (৪৫) বলেন, কুরবানির ঈদ উপলক্ষে কয়লা ও র‍্যাত দাম ও শ্রমিকের দাম বেড়ে যায়। কিন্তু এখন আর নাই।
আরেক কামার অমূল্য কর্মকার বলেন, ৩০ বছর এ কাজে সাথে রয়েছি। কুরবানির ঈদ উপলক্ষে আমাদের বেচা কেনা দ্বিগুণ থাকলে এবার করোনা ভাইরাসে কারণে কোন কাজ নাই । ঈদের দু’দিন আগে বেচাকেনা হতে পারে আশা করছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com