প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১১ মার্চ রুল আংশিক মঞ্জুর করে রায় দেন আদালত। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। পরে আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করে রায় দেন।২০১৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি) বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। এর আগে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের রূপরেখা প্রণয়নসংক্রান্ত কমিটি জাতীয়করণের জন্য প্রাথমিকভাবে ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয় বিবেচনার জন্য নির্বাচন করে সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করে। পরে এসব বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়।জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি) বিধিমালার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতিসংক্রান্ত ৯(১) বিধির অংশবিশেষের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে রিট করেন জাতীয়করণ করা বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট ওই বিধির অংশবিশেষ বেআইনি ঘোষণা করেন।
হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল অর্থাৎ আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর আপিল বিভাগ আবেদনটি মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়।লিভ টু আপিল মঞ্জুরের পর ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরাসরি নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকেরাও আপিল বিভাগে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আপিল মঞ্জুর করে রায় দেন আপিল বিভাগ।