বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য মাঠ পর্যায়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা পাঠানো হয়। মুদ্রিত ভোটার তালিকা মনোনয়নপত্র বাছাইসহ অন্যান্য কার্যক্রমে ব্যবহার করতে হবে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখের পরও বিভিন্ন কাজের প্রয়োজনে নাগরিকেরা এনআইডি প্রাপ্তির জন্য তথ্য প্রদান করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নতুন নিবন্ধন বা এনআইডি প্রাপ্তির প্রয়োজনে নাগরিকদের বায়োমেট্রিকসহ তথ্যাদি গ্রহণে আপত্তি বা অনাগ্রহ দেখান। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকরা যেন জাতীয় পরিচয়পত্র সংশ্লিষ্ট নাগরিক সুবিধা হতে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য নতুন নিবন্ধনসহ সংশোধন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।
নতুন নিবন্ধিতরা আগামী নির্বাচনে ভোটার তালিকায় অন্তভূক্ত হবেন না জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তবে কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রয়োজন হলে সম্পূরক ভোটার তালিকা পাঠানো হবে। প্রসঙ্গক্রমে আরও উল্লেখ্য যে, কেবল জাতীয় পরিচয়পত্র থাকলেই তিনি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার হিসেবে ভোট প্রদান করতে পারবেন না। ভোট প্রদান করতে হলে মুদ্রিত ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে।
নির্বাচন নিয়ে দেশের দুই বড় রাজনৈতিক শক্তি আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যেই গত ১৫ নভেম্বর দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
সিইসি জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর আর প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর। প্রচারণা শুরু হবে ১৮ ডিসেম্বর। আর শেষ হবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টায়।










