রাঙামাটি শহরের আশপাশে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি বৃষ্টি শুরু হলে নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ ছাড়া কাপ্তাই হ্রদে সকল নৌযান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। আজ শনিবার বিকেলে মাইকিং করে এ নির্দেশনা দেয় জেলা প্রশাসন।
রাঙামাটি শহরের ভেদভেদীর শিমুল তুলি, রুপনগর, লোকনাথ মন্দির এলাকা, কল্যাণপুর, স্বর্ণটিলা, রিজার্ভ বাজার আব্দুল আলী স্কুল ও পুলিশ সুপার কার্যালয় নিচ সংলগ্ন এলাকা, কিনামনি ঘোনাকে সবচেয়ে পাহাড় ধসের ঝুকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা প্রশাসন।
শনিবার বিকেলে পাহাড়ের পাদদেশে থাকা বাসিন্দাদের সাথে কথা বলেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ। এ সময় জেলা প্রশাসক স্থানীয়দের সতর্ক থাকার পাশাপাশি বৃষ্টি শুরু হলে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
পুলিশ সুপার জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ২২টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে কেউ অপারগতা জানালে, তাদের জোর করে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হবে।
২০১৭ সালে রাঙামাটিতে টানা বৃষ্টির কারণে ভয়াবহ পাহাড় ধসে ১২০ জনের প্রাণহানি ঘটে। সে সময় প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সরঞ্জাম না থাকায় উদ্ধারকাজে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগে। তবে ফায়ার সার্ভিসের সহকারি পরিচালক (রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি অঞ্চল) মো: দিদারুল আলম জানান, মোখা মোকাবিলায় বর্তমানে রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিসের কাছে প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সরঞ্জাম আছে।