হারুন,জবি প্রতিনিধিঃ
আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নারীর প্রতি সুবিচার, তাদের ন্যায্য দাবী সম্মানের সাথে প্রদানের লক্ষ্যে সারাবিশ্বব্যাপী এই দিবসটি নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে।
১৯৭৫ সালে ৮ মার্চ দিনটিকে জাতিসংঘ প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নারী দিবসের স্বীকৃতি দেয়। যদিও এর অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে এই দিবসটি পালিত হচ্ছিল। ১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তে নিউইয়র্কে প্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরের বছর ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
প্রতিবছর নানা দেশে নানা ভাবে এ দিবসটি পালিত হয়। জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিবছর এই দিবস উপলক্ষে বিশেষ প্রতিপাদ্য ও ঘোষণা করে। এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, “নারীর সুস্বাস্থ্য ও জাগরণ”।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ছাত্র মাসুদ মনে করেন,”একটা জাতির সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য নারী ও পুরুষের গুরুত্ব কার অপেক্ষা কম নয়। একটি গাছে দুটি চাকার মধ্যে একটি চাকা নিষ্ক্রিয় থাকলে গাড়িটি গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়। নারী-পুরুষ শব্দ-দু’টির চাকার মত। যার উপর নির্ভর করে একটি ভবিষ্যৎ।
একই বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবা সুমাইয়ার কাছে ‘আমরা চাইলেই পারি’ শিরোনামে নারী দিবস নিয়ে মন্তব্য করেছেন ঠিক এইভাবে, “এক অপরুপ সৃষ্টি নারী। নারীকে সৃষ্টিকর্তা তার মনের মাধুরী মিশিয়ে সৃষ্টি করেছেন।২১ শতকে এসে নারীর পদচারনা হেসেল থেকে আকাশপথ পর্যন্ত। নারীর এই সাফল্যের চাদরে ঢাকা পড়ে আছে বহু আর্তনাদ,অজস্র অশ্রু, সংগ্রাম ও ত্যাগ,কোনো উন্নত মস্তিষ্কের পুরুষের অনুপ্রেরনা। নারীর এত জয়জয়াকার এরপর ও,আজ ও বহু নারী আছে নির্যাতিত নিপীড়িত।নারী তুমি গর্জে উঠো।তোমার জায়গা তোমাকেই তৈরি করে নিতে হবে।তোমার আলোয় আলোকিত করো চারদিক।নিজেকে অবলা ভেবোনা।।তোমার আছে এক অপরীসিম ক্ষমতা। সৃষ্টিকে ধারন করার ক্ষমতা।ধারন করার ক্ষমতা যার আছে সে চাইলেই সব করে পারে।আর ঘুমিয়ে থেকোনা বোনরা জেগে উঠো”।
আমাদের প্রত্যাশা,নারী দিবসের ভাবনা, তাদের প্রতি সম্মান,ভালোবাসা দিবস কেন্দ্রীক না হয়ে মিশে যাক আমাদের মনে,যেন প্রতিটা মূহুর্তে তা অম্লান থাকে।