মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কাউখালীতে ১শত পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ যুবক গ্রেপ্তার রুহিয়ায় সাংবাদিকদের সাথে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীনের মতবিনিময় দালালের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ, সৌদিতে পড়ে আছে প্রবাসীর মরদেহ—বাবার অপেক্ষায় দুই শিশু পূর্ব বাড্ডায় জমি দখলের চেষ্টা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেঙ্গু প্রতিরোধ কিশোর গ্যাং দমনে  পিরোজপুরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা  কাউখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ হরিণধারা-গোপালপুর সড়ক: খালের পেটে বিলীন হওয়ার পথে  গ্রামের যাতায়াতের মাধ্যম পূজায় আসছে মৌ খানের ‘স্নেহের বন্ধন’ মালিবাগে ‘কাচ্চি সরদার’-এর উদ্বোধন করলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর জে কে শান্ত ইতালি পাঠানোর নামে মালয়েশিয়ায় পাচার ও অর্থ আত্মসাৎ: চক্রের হোতাসহ গ্রেফতার ২

উপকূলে শিক্ষার আলো জ্বালাচ্ছে ইমরানের কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১, ১.২৭ এএম
  • ১৮২ বার পড়া হয়েছে
উপকূলে শিক্ষার আলো জ্বালাচ্ছে ইমরানের কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন নিজস্ব প্রতিবেদনঃ মানবতা এবং মনুষ্যত্ব কে হৃদয়ে ধারণ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে এবং দেশপ্রেমের নীতি এবং আদর্শের শপথে বলিয়ান হয়ে সব সময় দেশ এবং সমাজের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ২০২০ সালে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপকূল অঞ্চলে প্রতিষ্ঠা করা হয় “Coastal Development Organization-CDO” নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার। বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চল সবচেয়ে বেশি বিপদসীমায় অবস্থান করছে। এছাড়া উপকূল অঞ্চলের যেকোনো দুর্যোগের সময় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নারী এবং শিশুরা আর অরক্ষিত হয়ে পড়ে তাদের জীবন ব্যবস্থা।এই প্রত্যয়ের দীপ্ত শপথে বলিয়ান হয়ে উপকূলে জেন্ডারভিত্তিক সমতা প্রতিষ্ঠা করতে এবং সংকটেও দুর্যোগে অগ্রগণ্য ভূমিকা রাখতে এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় সবসময় সক্রিয় থাকার জন্য উপকূলের মানুষের সার্বিক কল্যাণের স্বার্থে উপকূলের সচেতন তরুণ সমাজকে নিয়ে Coastal Development Organisation-CDO নামের একটি স্বেচ্ছাসেবামূলক সংগঠনের প্রতিষ্ঠা। উপকূলের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে সংস্থাটির প্রতিষ্ঠা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন। ইমরান হোসেন বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে অনার্স সম্মান শ্রেণীতে অধ্যায়নরত আছেন। “তিনি বলেন, বাংলাদেশের শেষ প্রান্তের উপকূলবর্তী অঞ্চলে আমার বাড়ি অবস্থিত হবার কারণে বছরের পর বছর আমি প্রত্যক্ষ করেছি কিভাবে প্রাকৃতিক বিপর্যয়, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদী ভাঙ্গন আমাদের সর্বশান্ত করে দিয়ে গেছে। সিডর, আইলা, নার্গিস,ফণী,বুলবুল,আম্ফান, ইয়াস উপকূলের মানুষের দুর্দশা কে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে। সর্বশেষ ঘূর্ণিঝড় আমফানের দীর্ঘ ১১ মাস আমরা প্লাবিত ছিলাম এবং ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের আবারও প্লাবিত হই। এ সময়ে নদীর জোয়ার ভাটা আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী ছিল। সকল অর্থনৈতিক উৎস ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং বিপন্ন হয়ে গিয়েছিল জীবনযাত্রা। আমার জন্মভূমির এই উপকূল অঞ্চলের মানুষের দুঃখ কষ্ট সব সময় আমার মনের কষ্ট কে বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০০৯ সালে যখন আইলা হয় তখন আমি অনেক ছোট কিন্তু প্রত্যক্ষ করেছি ত্রাণের ট্রলার আসলেও তা আমাদের জন্য পর্যাপ্ত ছিল না এবং সেখানে নারী ও শিশুদের জন্য কোন ব্যবস্থা ছিলনা। তখন থেকে আমি প্রতিজ্ঞা করি জন্মভূমি উপকূলবর্তী মানুষের দুঃখ দুর্দশা লাঘবে কাজ করার”। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারীতে থমকে যায় পুরো পৃথিবী। এ সময়ে করোনা কালীন বন্ধ এবং দুর্যোগকালীন দুরবস্থার কারণে এই অঞ্চলের শিশুরা একেবারেই শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে চলে যায়। বাবা মায়ের সাথে তারা স্বল্পমূল্যের অর্থনীতির শিশুশ্রমে যুক্ত হয়ে পড়ে। এ সকল শিশুদের ভবিষ্যৎ হুমকি এবং অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে যায়। এরকম দুরবস্থার মধ্যে এরকম পরিস্থিতি পরিলক্ষিত করে উপকূলের শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে জড়িত রাখতে সংস্থাটি প্রথমে একটি অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ প্রাথমিক স্কুলের সূত্রপাত করে। জোয়ারের পানি যে স্থানটিতে কম উঠে আমি সেখানে এ সকল শিশুদের জন্য_ “আমরা সবাই রাজা”নামের একটি ভ্রাম্যমাণ স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই স্কুলে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিশুদের পাঠদান কার্যক্রম চালু করা হয় এবং বিনা বেতনে তাদের শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত রাখা হয়। সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে এবং অর্থায়নে সংস্থাটি তাদের শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করে এবং তাদের বাবা-মা কে উৎসাহিত করে। মহামারী এবং দুর্যোগকালীন সময়ে প্রান্তিক এসব শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত রাখতে সর্বোচ্চ তৎপরতা অবলম্বন করে। ভ্রাম্যমান স্কুলটিতে প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত থাকতো। মাঝে মাঝে বাচ্চাদের স্বাস্থ্যকর খাবার প্রদান করা হতো এই স্কুলে। দীর্ঘ ছয় মাস সংস্থার সম্পূর্ণ বিনা বেতনে এই স্কুলটি পরিচালনা করে। CDO” এর সকল উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হয়েছে উপকূলের প্রায় শতাধিক এর উপরের শিক্ষার্থী। করোনাকালীন এই মহামারীর সময়ে তাদের জন্য প্রতিনিয়তই স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করেছে সিডিও। সামাজিক দূরত্ব মেনে যতদূর সম্ভব বাংলাদেশের আগামীর ভবিষ্যৎ উপকূলের এই কোমলমতি শিশুদের ঝরে পড়া প্রতিরোধ করতে সিডিও এসব যুগোপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়েছে। এ সকল স্কুলে নৈতিক এবং মানবিক শিক্ষা কে অধিক গুরুত্ব প্রদান করা হয়। উপকূলে জ্ঞানের আলোকে সমুন্নত রাখতে এবং বাংলাদেশের আগামীকে ঝরে পড়া প্রতিরোধে সিডিও এই স্কুল দুইটি প্রতিষ্ঠা করেছে। এছাড়া করোনাভাইরাস পরবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পরে অন্যান্য ক্লাসের শিক্ষার্থীরা যাতে পুনরায় স্কুলে ফেরত যায় সে উদ্দেশ্যে সিডিও স্থানীয় যুবকদের একত্রিত করে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। উপকূলে Coastal Development Organization-CDO স্থানীয় অভিভাবকের কাছে সর্বোচ্চ সচেতনতা পৌঁছে দিয়েছে। মেয়ে শিশুরা যাতে কোনরকম সহিংসতা এবং যৌন হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য বখাটেদের বিচরনর বন্ধ করতে এবং তাদের স্কুলে যাওয়ার পথ কে নিরাপদ রাখতে স্থানীয় যুবকদের ও শিক্ষকদের সহায়তায় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সিডিও। বাল্যবিবাহের করাল গ্রাসে যেন উপকূলের কিশোরীরা স্কুল থেকে ঝরে না পড়ে ও তাদের ভবিষ্যৎ বিনষ্ট না হয় সেজন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে একত্রিত হয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধে বিভিন্ন প্রচারণা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সিডিও। প্যানডেমিক এর এই দুর্দশাগ্রস্ত সময়ে CDO নিম্নোক্ত এই দুইটি স্কুলের প্রতিষ্ঠা করেছে এবং স্কুল দুইটি এখনো চলমান রয়েছে। 1.আমরা সবাই রাজা স্কুল। 2.হাঁজতখালি শিশু নিকেতন (পুনর্নির্মাণ এছাড়া CDO প্রতিনিয়তই কাজ করে চলেছে মানুষ এবং মানবতার কল্যাণে। উপকূলে SDG এবং Su উপকূলে শিক্ষার আলো জ্বালাচ্ছে ইমরানের কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন নিজস্ব প্রতিবেদনঃ মানবতা এবং মনুষ্যত্ব কে হৃদয়ে ধারণ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে এবং দেশপ্রেমের নীতি এবং আদর্শের শপথে বলিয়ান হয়ে সব সময় দেশ এবং সমাজের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ২০২০ সালে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপকূল অঞ্চলে প্রতিষ্ঠা করা হয় “Coastal Development Organization-CDO” নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার। বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চল সবচেয়ে বেশি বিপদসীমায় অবস্থান করছে। এছাড়া উপকূল অঞ্চলের যেকোনো দুর্যোগের সময় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নারী এবং শিশুরা আর অরক্ষিত হয়ে পড়ে তাদের জীবন ব্যবস্থা।এই প্রত্যয়ের দীপ্ত শপথে বলিয়ান হয়ে উপকূলে জেন্ডারভিত্তিক সমতা প্রতিষ্ঠা করতে এবং সংকটেও দুর্যোগে অগ্রগণ্য ভূমিকা রাখতে এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় সবসময় সক্রিয় থাকার জন্য উপকূলের মানুষের সার্বিক কল্যাণের স্বার্থে উপকূলের সচেতন তরুণ সমাজকে নিয়ে Coastal Development Organisation-CDO নামের একটি স্বেচ্ছাসেবামূলক সংগঠনের প্রতিষ্ঠা। উপকূলের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে সংস্থাটির প্রতিষ্ঠা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন। ইমরান হোসেন বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে অনার্স সম্মান শ্রেণীতে অধ্যায়নরত আছেন। “তিনি বলেন, বাংলাদেশের শেষ প্রান্তের উপকূলবর্তী অঞ্চলে আমার বাড়ি অবস্থিত হবার কারণে বছরের পর বছর আমি প্রত্যক্ষ করেছি কিভাবে প্রাকৃতিক বিপর্যয়, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদী ভাঙ্গন আমাদের সর্বশান্ত করে দিয়ে গেছে। সিডর, আইলা, নার্গিস,ফণী,বুলবুল,আম্ফান, ইয়াস উপকূলের মানুষের দুর্দশা কে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে। সর্বশেষ ঘূর্ণিঝড় আমফানের দীর্ঘ ১১ মাস আমরা প্লাবিত ছিলাম এবং ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের আবারও প্লাবিত হই। এ সময়ে নদীর জোয়ার ভাটা আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী ছিল। সকল অর্থনৈতিক উৎস ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং বিপন্ন হয়ে গিয়েছিল জীবনযাত্রা। আমার জন্মভূমির এই উপকূল অঞ্চলের মানুষের দুঃখ কষ্ট সব সময় আমার মনের কষ্ট কে বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০০৯ সালে যখন আইলা হয় তখন আমি অনেক ছোট কিন্তু প্রত্যক্ষ করেছি ত্রাণের ট্রলার আসলেও তা আমাদের জন্য পর্যাপ্ত ছিল না এবং সেখানে নারী ও শিশুদের জন্য কো
ব্যবস্থা ছিলনা। তখন থেকে আমি প্রতিজ্ঞা করি জন্মভূমি উপকূলবর্তী মানুষের দুঃখ দুর্দশা লাঘবে কাজ করার”। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারীতে থমকে যায় পুরো পৃথিবী। এ সময়ে করোনা কালীন বন্ধ এবং দুর্যোগকালীন দুরবস্থার কারণে এই অঞ্চলের শিশুরা একেবারেই শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে চলে যায়। বাবা মায়ের সাথে তারা স্বল্পমূল্যের অর্থনীতির শিশুশ্রমে যুক্ত হয়ে পড়ে। এ সকল শিশুদের ভবিষ্যৎ হুমকি এবং অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে যায়। এরকম দুরবস্থার মধ্যে এরকম পরিস্থিতি পরিলক্ষিত করে উপকূলের শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে জড়িত রাখতে সংস্থাটি প্রথমে একটি অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ প্রাথমিক স্কুলের সূত্রপাত করে। জোয়ারের পানি যে স্থানটিতে কম উঠে আমি সেখানে এ সকল শিশুদের জন্য_ “আমরা সবাই রাজা”নামের একটি ভ্রাম্যমাণ স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই স্কুলে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিশুদের পাঠদান কার্যক্রম চালু করা হয় এবং বিনা বেতনে তাদের শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত রাখা হয়। সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে এবং অর্থায়নে সংস্থাটি তাদের শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করে এবং তাদের বাবা-মা কে উৎসাহিত করে। মহামারী এবং দুর্যোগকালীন সময়ে প্রান্তিক এসব শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত রাখতে সর্বোচ্চ তৎপরতা অবলম্বন করে। ভ্রাম্যমান স্কুলটিতে প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত থাকতো। মাঝে মাঝে বাচ্চাদের স্বাস্থ্যকর খাবার প্রদান করা হতো এই স্কুলে। দীর্ঘ ছয় মাস সংস্থার সম্পূর্ণ বিনা বেতনে এই স্কুলটি পরিচালনা করে। CDO” এর সকল উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হয়েছে উপকূলের প্রায় শতাধিক এর উপরের শিক্ষার্থী। করোনাকালীন এই মহামারীর সময়ে তাদের জন্য প্রতিনিয়তই স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করেছে সিডিও। সামাজিক দূরত্ব মেনে যতদূর সম্ভব বাংলাদেশের আগামীর ভবিষ্যৎ উপকূলের এই কোমলমতি শিশুদের ঝরে পড়া প্রতিরোধ করতে সিডিও এসব যুগোপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়েছে। এ সকল স্কুলে নৈতিক এবং মানবিক শিক্ষা কে অধিক গুরুত্ব প্রদান করা হয়। উপকূলে জ্ঞানের আলোকে সমুন্নত রাখতে এবং বাংলাদেশের আগামীকে ঝরে পড়া প্রতিরোধে সিডিও এই স্কুল দুইটি প্রতিষ্ঠা করেছে। এছাড়া করোনাভাইরাস পরবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পরে অন্যান্য ক্লাসের শিক্ষার্থীরা যাতে পুনরায় স্কুলে ফেরত যায় সে উদ্দেশ্যে সিডিও স্থানীয় যুবকদের একত্রিত করে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। উপকূলে Coastal Development Organization-CDO স্থানীয় অভিভাবকের কাছে সর্বোচ্চ সচেতনতা পৌঁছে দিয়েছে। মেয়ে শিশুরা যাতে কোনরকম সহিংসতা এবং যৌন হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য বখাটেদের বিচরনর বন্ধ করতে এবং তাদের স্কুলে যাওয়ার পথ কে নিরাপদ রাখতে স্থানীয় যুবকদের ও শিক্ষকদের সহায়তায় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সিডিও। বাল্যবিবাহের করাল গ্রাসে যেন উপকূলের কিশোরীরা স্কুল থেকে ঝরে না পড়ে ও তাদের ভবিষ্যৎ বিনষ্ট না হয় সেজন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে একত্রিত হয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধে বিভিন্ন প্রচারণা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সিডিও। প্যানডেমিক এর এই দুর্দশাগ্রস্ত সময়ে CDO নিম্নোক্ত এই দুইটি স্কুলের প্রতিষ্ঠা করেছে এবং স্কুল দুইটি এখনো চলমান রয়েছে। 1.আমরা সবাই রাজা স্কুল। 2.হাঁজতখালি শিশু নিকেতন (পুনর্নির্মাণ এছাড়া CDO প্রতিনিয়তই কাজ করে চলেছে মানুষ এবং মানবতার কল্যাণে। উপকূলে SDG এবং Sustainable কর্মসূচি বৃদ্ধি করার পদক্ষেপ নিয়েছে CDO। এসকল কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে উপকূল অঞ্চলের মানুষের ওপর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে CDO। ওই অঞ্চলের মানুষের মননশীলতাকে পরিবর্তনের ধারায় কিছুটা হলেও বিকশিত করতে পেরেছে CDO। Coastal Development Organization-CDO আশা করছে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুঁকি এবং দুর্যোগজনিত সকল ভয়াবহতা কাটিয়ে উঠে উপকূল অঞ্চলের ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে পারবে এবং জেন্ডারভিত্তিক সমতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উপকূল অঞ্চল হয়ে উঠবে বাংলাদেশের জন্য অপার সম্ভাবনাময়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com