রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কাউখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ হরিণধারা-গোপালপুর সড়ক: খালের পেটে বিলীন হওয়ার পথে  গ্রামের যাতায়াতের মাধ্যম পূজায় আসছে মৌ খানের ‘স্নেহের বন্ধন’ মালিবাগে ‘কাচ্চি সরদার’-এর উদ্বোধন করলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর জে কে শান্ত ইতালি পাঠানোর নামে মালয়েশিয়ায় পাচার ও অর্থ আত্মসাৎ: চক্রের হোতাসহ গ্রেফতার ২ যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা

গত কয়েক বছরে সাভারে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন রাসেল: র‌্যাব

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ২.৫৭ পিএম
  • ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

গ্রাহককে ধোঁকায় ফেলতে ব্যবসার নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করেন ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল। তারা দুজন প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৫ লাখ করে ১০ লাখ টাকা বেতন নিতেন। চড়তেন দামি গাড়িতে। গত কয়েক বছরে সাভারে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন রাসেল। তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব জানিয়েছে,

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও এমডিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর আজ আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানানো হয় র‌্যাবের পক্ষ থেকে। সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই র‌্যাব সদস্য আরও জানান, ইভ্যালির কয়েকটি অ্যাকাউন্টে এখন মাত্র ৩৫ লাখ টাকার মতো রয়েছে। এছাড়া কয়েকটি গেটওয়েতে আটকে আছে ৩০-৩৫ কোটি টাকা। কোম্পানিটিতে এক পর্যায়ে প্রায় ২ হাজার স্টাফ এবং অস্থায়ী ভিত্তিতে ১ হাজার ৭০০ কর্মচারী ছিল। এখন সেটা কমে প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। গত জুন মাস থেকে অনেক কর্মচারীর বেতন বকেয়া।

ইভ্যালির বিরুদ্ধে গত প্রায় দুই মাস ধরে একের পর এক প্রতারণার অভিযোগ আসতে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার রাতে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন আরিফ বাকের নামে এক ভুক্তভোগী। তিনি বলেন, আমরা তিন বন্ধু মিলে ইভ্যালিতে ২০ লাখ টাকার পণ্য অর্ডার করেছি। পণ্য না দিয়ে উল্টো তারা এখন হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।

ভুক্তভোগী আরিফ বাকের বলেন, ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে আমরা তিন বন্ধু কিছু পণ্য অর্ডার করেছিলাম গত মে মাসে। একজন ৩ লাখ ১০ হাজার, একজন ৯ লাখ এবং আরেকজন ৭ লাখ ৯৮ হাজার টাকার পণ্য অর্ডার করি। অর্ডারের সব টাকা বিকাশ, নগদ ও সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়। নিয়মানুযায়ী পণ্যগুলো ৭ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে পরিশোধ করার কথা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পণ্যের জন্য নানাভাবে যোগাযোগ করেও ব্যর্থ হই। ৯ সেপ্টেম্বর সশরীরে ইভ্যালির ধানমন্ডির অফিসে উপস্থিত হয়ে পণ্য ডেলিভারির ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। একপর্যায়ে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল আমাদেরকে হুমকি-ধমকি দেন। পণ্য বা টাকা-কোনোটিই দেওয়া হবে না বলে চিৎকার করতে থাকেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com