সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে সৌহার্দ্য ফার্মেসিতে চুরি হওয়া  ১৭ লাখ টাকার ওষুধ উদ্ধার হয়েছে গোবিন্দগঞ্জে গ্রেফতার ৪  হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮১ লিটার বিদেশি মদ জব্দ প্রিজনভ্যান থেকে পালানো ‘পিচ্চি রাজার’ সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রী পিরোজপুরে নতুন ডিসি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন গোলাম রব্বানী ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে কুলিক নদীর কুলে কুকুরের মুখ থেকে নবজাতক উদ্ধার পরকীয়ার অভিযোগ, একের পর এক সংসার ভাঙার গল্প মহিদুলকে ঘিরে বায়েজিদ সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ, আহ্বায়ক আলী আহমদ শাহিন, সদস্য সচিব মুজিব উল্ল্যাহ তুষার জমকালো আয়োজনে ‘দৈনিক ঘোষণা’র প্রধান নির্বাহী সম্পাদক এস এম জহিরুল ইসলামের জন্মদিন উদযাপন শিক্ষা ফলাফল নয়, ভবিষ্যৎ গড়ার পাঠ চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে অভিভাবক-শিক্ষক সংলাপ

আমের প্রচুর ফলন হলেও ঝরে পড়ায় চিন্তিত আমচাষীরা !

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১, ৫.০৩ পিএম
  • ৮৯৭ বার পড়া হয়েছে

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ গেল বছরের তুলনায় এবার আমের ফলন আকাঙ্ক্ষার চেয়েও বেশি হয়েছে। কিন্তু যতই দিন যাচ্ছে ততই আশায় গুড়েবালি। ঝরে পড়ছে থোকা থোকা আম। নিচের অংশ কালো হয়ে ফেটে পঁচে পড়ে যাচ্ছে। কোন প্রকার স্প্রে বা ওষুধ ছিটিয়েও মিলছেনা ফল। কৃষি বিভাগ থেকেও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে। উপমহাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল হচ্ছে আম।

কারণ এ ফলের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার, পুষ্টিমান ও স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে এ আমের ব্যাপক বাণিজ্যিক চাষ হলেও সারা দেশেই আম গাছ রয়েছে ও কমবেশি আমের চাষ হচ্ছে। আম চাষিরা জানিয়েছেন- ‘অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর আম কালো হয়ে ফেটে পড়া তারা আর দেখেননি।

 

গাছে প্রচুর ফলন এলো তবে তা ঝরে পড়ে গাছ শুন্য হয়ে যাচ্ছে।’ পঁচে ফেটে পড়া আমগুলো খাওয়া বা আমসত্ত্ব দেয়া অনুপোযোগী বলেও আমচাষিরা জানিয়েছেন। লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন এ বছর খরা হওয়ার কারণে আমে মোড়ক লেগেছে।

যথাসময়ে ঔষধ, পানি ছিটালে এর ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন ফলন্ত আম গাছের পরিচর্যা, পরগাছা দমন, সার প্রয়োগ, সেচ প্রয়োগ, পুরনো বাগান নবায়নের মাধ্যমে আম গাছ ও ফল দুটোই রক্ষা করা সম্ভব। নাটোর সিটি কলেজের কৃষি বিভাগের প্রভাষক কৃষিবিদ এম এ মজিদ মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন-‘মাটির নিচে রসের অভাবে আমের গুটি ঝরে গেলে গাছের চারপাশে নিয়মিত সেচ দিতে হবে।

বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত ১৫ দিন পর পর সেচ দিলে আমের গুটি ঝরা রোধ হয়।’ তিনি আম গাছে ‘অ্যানথ্রাক্স’ নামের তরল ঔষধ স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছেন আমচাষীদের।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com