বৃহস্পতিবার ( ১৫ এপ্রিল) আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে শনিবার থেকে বিমান চলাচল শুরু হলে ভিসা-আকামার মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে বিমান যাত্রীরা অগ্রাধিকার পাবেন। যাদের ভিসা বা আকামার মেয়াদ আগে শেষ হয়ে যাবে, তাদেরকে বিমান যাত্রী হিসেবে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুর যেতে ইচ্ছুক প্রবাসী কর্মিদের মধ্যে যাদের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ইস্যু করা বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স রয়েছে, তাদের বিদেশ গমনে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
এদিকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের মধ্যে যাদের ভিজিট ভিসা আছে, তবে বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স নেই, তারা বিদেশ গমনে অগ্রাধিকার পাবেন না।
এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বিদেশগামী যাত্রীদের টিকেটের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য যাত্রী পরিবহনের জন্যপরিচালিত বিশেষ ফ্লাইটের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং চার্জ সাধারণ ফ্লাইটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য চার্জের সমপরিমাণ প্রদেয় হবে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিদেশগামী যাত্রীদের পিসিআর টেস্ট নির্বিঘ্নে এবং স্বল্পতম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে ফলাফল প্রদান করবে।
লকডাউন চলাকালে উল্লিখিত ৫টি দেশ ব্যতীত অন্যান্য দেশে যারা জরুরি প্রয়োজনে যেতে ইচ্ছুক, তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র সাপেক্ষে ট্রানজিট প্যাসেঞ্জার হিসেবে বিশেষ ফ্লাইটে ভ্রমণ করতে পারবেন।
কাতার ও ওমানে ক্রমহ্রাসমান করোনা সংক্রমণের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নিষিদ্ধ দেশসমুহের তালিকা হতে উক্ত দেশ দু’টিকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় মন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংযুক্ত ছিলেন।