শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতুতে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার শীঘ্রই রমেক হাসপাতালের আইসিইউ বেড সংকট দূর হবে : ত্রাণমন্ত্রী কারওয়ান বাজার এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয় ১ ব্যক্তির মৃত্যু আশুলিয়ায় ফ্ল্যাটে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের মরদেহ ভিজিটর ভিসা নিয়ে সতর্ক করল ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস বিমানের এক কর্মীর কাছ থেকে ১৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ক্যাপ্টেন (অব.) ডা. এম. এন. সাফাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ বুলবুল আহমেদের অর্জিত পুরস্কার সামগ্রি সংরক্ষিত হবে ফিল্ম আর্কাইভে সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে এমপি বাবুল

ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের দেয়া সুযোগ-সুবিধায় ওআইসি’র সন্তোষ প্রকাশ

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ১১.১০ পিএম
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে

ইসলামিক সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসান চরে বাংলাদেশ সরকারের দেয়া ভৌত অবকাঠামো ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
ওআইসির পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল আজ হাতিয়ার প্রশাসনিক এখতিয়ারের অধীনে মূল ভূখ- থেকে ৩৭ মাইল দূরে অবস্থিত এক লাখ রোহিঙ্গার থাকার সকল সুযোগ-সুবিধাসহ মডেল শহরে রূপ দেয়া দ্বীপ ভাসান চর পরিদর্শন করে এ সন্তোস প্রকাশ করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজনীতি বিষয়ক সহকারী মহাসচিব ইউসুফ আলদোবেই’র নেতৃত্বে ওআইসির প্রতিনিধি দল পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার ও রোহিঙ্গাদের সাথে ভাসান চরে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
আলদোবেই মিয়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের অব্যাহত মানবিক সাহায্য এবং অস্থায়ী আশ্রয় প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করেন।
ভাসান চরের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ওআইসির সহকারী মহাসচিব এ মানবিক সংকট নিরসনে তাদের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
পরে প্র্রতিনিধিদল কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং রোহিঙ্গাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
প্রতিনিধিদলে ছিলেন- ইব্রাহিম খায়রাত, মিয়ানমারে ওআইসি মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি এল হাবিব বুরানে, মুসলিম সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু বিষয়ক পরিচালক, রাজনৈতিক বিষয়ক বিভাগ এবং ওআইসির সাধারণ সচিবালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী এক লাখ রোহিঙ্গার আশ্রয়ের জন্য ৩ হাজার ১শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসান চরে আশ্রয়ন-৩ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সামরিক অভিযানের পর থেকে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে টেকনাফ ও উখিয়ায় আশ্রয় নেয়।
মোট ১২০টি পাকা গুচ্ছ গ্রাম এবং ১২০টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়নকেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, কৃষি ও মাছ ধরার সুবিধা, খেলার মাঠ এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি দ্বীপটিকে কক্সবাজারের ক্যাম্পের তুলনায় রোহিঙ্গাদের জন্য অনেক ভালো বাসস্থান করে তুলেছে। যদিও জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থা জলেচ্ছ্বাস এবং ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে এ প্রকল্পের ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করেছে। এই প্রকল্পের চারপাশের বন্যা সুরক্ষা বাঁধ এখন নয় ফুট থেকে ১৯ ফুটে উন্নীত করা হচ্ছে এবং বাড়িগুলো মাটি থেকে চার ফুট ওপরে নির্মিত হচ্ছে। (বাসস)

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com