শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বুলবুল আহমেদের অর্জিত পুরস্কার সামগ্রি সংরক্ষিত হবে ফিল্ম আর্কাইভে সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে এমপি বাবুল রুহিয়া থানার নবাগত ওসির সাথে গণমাধ্যমকর্মীদের মতবিনিময় সাংবাদিক দিলীপ কুমার দাস “হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে কষ্টে কাটছে তাঁর জীবন স্ক্যাম কম্পাউন্ডে জিম্মি করে নির্যাতন কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩৮ বাংলাদেশি শাহজালাল বিমানবন্দরে উড়োজাহাজের আসনের নিচে মিলল ২০ কোটি টাকার স্বর্ণ, উদ্ধার ৮০ বার উচ্ছেদের পরও থামেনি জুয়ার কারবার, আমবাগানে ওসমানের নতুন আস্তানা—গ্রেপ্তার ৬ চট্টগ্রামে ৮ মামলার আসামি রকিব ইপিজেড থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার এভিয়েশন হাবে রূপান্তরে জাপানের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ গণপতি চক্রবর্তী পরিবার হত্যার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ

বরগুনায় শিক্ষক স্বামীকে খুন : আট মাস পর হত্যারহস্য উদঘাটন

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ৯.১৫ পিএম
  • ২৭৩ বার পড়া হয়েছে

মল্লিক মো.জামাল,বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনায় এক শিক্ষককে হত্যা করে হৃদরোগে মারা গেছেন বলে চালিয়ে দিয়েছেন স্ত্রী । তবে দুর্বার টুয়েন্টিফোরের অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এলো হত্যারহস্য।

হাসতে হাসতে স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করে নির্মমভাবে ওই শিক্ষককে হত্যা করেছে স্ত্রী ও তার প্রেমিক। হত্যার পরে স্বামী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বলে তাড়িঘরি করে মৃতদেহ দাফন করে দিয়ে হত্যার মিশন সফল করে সবাইকে বোকা বানায় তারা। এ ঘটনায় হয়নি কোনো মামলাও।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত বছরের মে মাস থেকে বরগুনা সদর উপজেলার গোলবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নাসির হাওলাদারকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ২৩ মে রাতে স্বামীকে খাবারের সাথে রাত ৮টায় ঘুমের ঔষুধ মিশিয়ে অজ্ঞান করে স্ত্রী মিতু।

রাত ১১টার পরে রাজুকে ফোন করে বাসায় আসতে বলে মিতু। রাত ১১টা ৪০ এর পরে ওই শিক্ষকের বাসায় এসে হাত-পা বেঁধে পায়ের উপরে উঠে বসে রাজু। স্ত্রী মিতু স্বামীর বুকের উপরে উঠে কম্বল দিয়ে শ্বাষরোধ করে হত্যার চেষ্টা করলে প্রাণ ভিক্ষা চান ওই শিক্ষক। টানা দু’ঘন্টা দন্তাদস্তির এক পর্যায়ে নিস্তেজ হয়ে যায় নাসিরের দেহ। পরদিন সকালে তরিগড়ি করে লাশ  দাফন করা হয়।

এর আগেও বেশ কয়েকবার ওই স্কুল শিক্ষককে হত্যার চেষ্টা করে তার স্ত্রী মিতু আক্তার।

এলাকাবাসীরা জানায়, ওদিন ছিল শেষ রমজান। সেহরীর কিছুক্ষন আগে নাসির স্যারের বাড়িতে কান্নাকাটির আওয়াজ পেয়ে আমরা সেখানে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি ঘরের দরজা খোলা এবং মিতু ও তার মেয়ে নুসরাত কান্নাকাটি করছে। এসময় নাসির স্যারের মুখে রক্ত দেখেছি আমরা।

স্কুল শিক্ষক নাসিরের বড়ভাই আবদুল জলিল জানান, আমার ভাই অত্যান্ত নরম মানুষ ছিল। এলাকার সবার সাথে তার ভালো সম্পর্ক ছিল। তার স্ত্রী মিতু ছিল মাদকাসক্ত। আমাদের কাউকে সে সহ্য করতে পারত না। যারা আমার ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই আমরা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com