সোহেল রানা,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর দু‘টি পৌরসভায় সুষ্ঠু ভাবে ভোট গ্রহন হয়েছে। গত শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নওগাঁ পৌরসভা ও ধামইরহাট পৌরসভার ভোট গ্রহন হয়। মেয়র পদে দুই পৌরসভায় আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
শীতের কারণে ভোটারদের উপস্থিত প্রথম দিকে কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিত ছিলে ব্যাপক। নওগাঁ পৌরসভা মেয়র পদে পাঁচজন প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতিকে নির্মল কৃষ্ণ সাহা, বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকে নজমুল হক সনি, স্বতন্ত্র প্রার্থীর নারিকেল গাছ প্রতিকে ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল, জাতীয় পাটি নাঙ্গল প্রতিকে ইফতারুল ইসলাম (বকুল) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাত পাখা প্রতিকে আতিকুর রহমান।

পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ১৬ হাজার ২৪০ জন। মোট ৪১টি ভোট কেন্দ্রে ৩৩২টি কক্ষে ভোটগ্রহণ এবং ৪১ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩৩২ জন সহকারী প্রিজাইডং অফিসার এবং ৬৬৪ জন পোলিং এজেন্ট ছিল। অপরদিকে, ধামইরহাট পৌরসভায় তিনজন প্রার্থী। মেয়র প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকে আমিনুর রহমান, বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মাহবুবুর রহমান চৌধুরী চপল ও স্বতন্ত্র থেকে নারিকেল গাছ প্রতীকে অ্যাডভোকেট আইয়ুব হোসেন।
নয়টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ হাজার ৬৪০ জন। ব্যালটের মাধ্যমে ৩৮টি বুথে ও ৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। নয়জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩৮ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৭৬ জন পোলিং এজেন্ট ছিল। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পূন্ন করতে আইন শংঙ্খলার চারস্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। প্রতি কেন্দ্রে পাঁচজন পুলিশ সদস্যসহ আনসার বাহিনীর সদস্যরা থাকবেন।
নওগাঁ পৌরসভার জন্য ৬শ পুলিশ ফোর্স এবং ধামইরহাট পৌরসভার জন্য ২৫০ জন পুলিশ ফোর্স এর পাশাপাশি তিনটি কুইক রেসপন্স টিম ছিল। এছাড়া ১৪ জন ম্যাজিষ্ট্রেট-এর নেতৃত্বে সাদা পোষাকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্বে ছিল। চার প্লাটুন বিজিবি সদস্য এবং র্যাব সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করেন। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত ভোট গণনার প্রক্রিয়া চলছিল।