আজ মঙ্গলবার অভিযান শুরু করতে করতে দুপুর ২টা বেজে যায় ।
ডিএসসিসির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর এই বিপণিবিতানে মোট ৯১১টি নকশাবহির্ভূত দোকান আছে। তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এই অভিযান চলছে।
দোকানিদের অভিযোগ, এর আগে নকশাবহির্ভূত এসব দোকান বৈধ করতে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা লাখ লাখ টাকা নিয়েছেন। সেসবের ভাউচারও আছে তাঁদের কাছে। এ ছাড়া প্রতিনিয়ত দোকানিরা ভাড়াও দিয়ে এসেছেন। আর এখন তাদের কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়াই উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
তবে ডিএসসিসির উপসচিব ও প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রাসেল সাবরিন বলছেন ভিন্ন কথা। দোকানিদের কাছে লিখিত নোটিশ দিয়ে উচ্ছেদের বিষয়টি জানানো হয়েছিল কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, গতকাল সোমবার মাইকিং করে সবাইকে জানানো হয়েছে। তাঁরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। এ ছাড়া তাঁরা মাইকিংয়ের আগেও বিষয়টি জানতেন।
দোকানিদের বিক্ষোভের কারণে অভিযান শুরু করতে দেরি হয়েছে বলেও জানান ডিএসসিসির সম্পত্তি কর্মকর্তা ও সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মুনিরুজ্জামান।
অভিযান ঠেকাতে সকাল থেকেই বিপণিবিতানের সামনে রাস্তায় অবস্থান নেন শত শত দোকানি ও কর্মচারী। এ সময় ‘জীবন দেব, কিন্তু রাস্তা ছাড়ব না’সহ নানা ধরনের স্লোগান দেয় দোকানিরা।
ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বিপণিবিতানটির নকশা অনুয়ায়ী এ ব্লকে ১৭৬টি দোকান, বি ব্লকে ১৭৬টি, সি ব্লকে ১৭৯টিসহ মোট ৫৩১টি দোকান থাকার কথা। কিন্তু নকশাবহির্ভূতভাবে এ ব্লকে ৩০৮টি, বি ব্লকে ২৯২টি এবং সি ব্লকে ৩১১টি দোকান করা হয়েছে।
ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, নতুন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস দায়িত্ব নেওয়ার পর এই বিপণিবিতানের নকশাবহির্ভূত দোকান এবং এর সার্বিক পরিস্থিতি জানতে একটি কমিটি গঠন করে দেন। করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলীকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের এই কমিটি বিপণিবিতানে নকশাবহির্ভূত ৯১১টি দোকান চিহ্নিত করে এবং সেগুলো উচ্ছেদের সুপারিশ করে।