শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আজিমনগর আওয়ামী লীগ নেতা নূর ইসলাম চোকদার গ্রেফতার ভাড়া নির্ধারণের আগেই আদায় শুরু, চট্টগ্রামে গণপরিবহনে বেপরোয়া নৈরাজ্য নজরুল বর্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ শাহজালালে উড়োজাহাজের টয়লেট থেকে ৫০ স্বর্ণবার উদ্ধার পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীকে অশ্রুসিক্ত বিদায় জানালো জেলা পুলিশ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিলের দুধ খেয়ে হাসপাতালে ৩৪ শিক্ষার্থী ভর্তি পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শোভাযাত্রা গভীর নলকূপ নিয়ে বিরোধ, হামলা ও হুমকির অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে নিরাপত্তাহীনতায় জাকির হোসেনের পরিবার ভাঙ্গা বাজারে দোকানের টিন কেটে দুই দোকানে চুরি নগদ টাকাসহ মালামাল লুট,ব্যবসায়িরা আতংকে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরের ভাতুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

করোনা টেস্ট নিয়ে একের পর এক জালিয়াতি

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০, ১১.৩৭ এএম
  • ৩২৪ বার পড়া হয়েছে

করোনা টেস্ট নিয়ে একের পর এক জালিয়াতির পর্দা উন্মোচিত হচ্ছে। রিজেন্ট হাসপাতালের পর জেকেজি হেলথ কেয়ার এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। নমুনা পরীক্ষা না করে প্রতিষ্ঠানটি করোনার মনগড়া সার্টিফিকেট দিয়ে আসছিল। এক পর্যায়ে অভিযোগ যায় পুলিশের কাছে। প্রাথমিক তদন্তে ধরা পড়ে জালিয়াতির নীল নকশা। এরপর পুলিশ এ্যাকশনে যায়। গ্রেপ্তার করা হয় জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে। বর্তমানে সাবরিনা তিনদিনের রিমান্ডে। তার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা ল্যাপটপ থেকে ১৫ হাজার ভুয়া সার্টিফিকেটের আলামত পাওয়া গেছে। পাঁচ থেকে আট হাজার টাকা নিয়ে তারা সার্টিফিকেট ইস্যু করতো। ২৭ হাজার মানুষের নমুনা সংগ্রহ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ থেকে তারা আট কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। জনস্বার্থে মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ডা. সাবরিনা চৌধুরী একজন হৃদরোগ সার্জন। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে কর্মরত ছিলেন। টেলিভিশন টকশোতে এসে নানা হেলথ টিপস দিতেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নানাভাবে এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন। প্রশ্ন উঠেছে বিনা তদন্তে কি করে একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম হিসেবে পরিচিত জেকেজিকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ৪৪ টি বুথ স্থাপনের অনুমতি দেয়া হয়। ইতিমধ্যেই ডা. সাবরিনাকে হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জেকেজি হেলথ কেয়ারের ইস্যু করা করোনা সার্টিফিকেট নিয়ে অনেকেই প্রতারিত হয়েছেন। একজন ভাল মানুষকে তারা রোগী বানিয়েছে। আরেকজন রোগীকে ভাল মানুষের সার্টিফিকেট দিয়েছে। তাছাড়া অনেকেই এই প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট নিয়ে বিদেশে গিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন। এতে করে দেশ ও বিদেশে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এসব অভিযোগে ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া‍, জাপান ও চীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

রিজেন্ট হাসপাতালও একইভাবে ভুয়া সনদ দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। মঙ্গলবার র‍্যাবের তরফে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয় রিজেন্টের মালিক শাহেদ করিম কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জাল সার্টিফিকেট ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। র‍্যাব বলছে, শাহেদ করিম প্রতারক জগতের এক আইডল। শাহেদকে নিয়ে যখন চারদিকে সরগরম আলোচনা তখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক বলেছিলেন, রিজেন্টের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি সম্পর্কে তিনি জানতেন না। এর একদিন পরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি ভাইরাল হয়। ছবিতে চুক্তির সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে হাস্যজ্জল দেখা যায়।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com