সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে সৌহার্দ্য ফার্মেসিতে চুরি হওয়া  ১৭ লাখ টাকার ওষুধ উদ্ধার হয়েছে গোবিন্দগঞ্জে গ্রেফতার ৪  হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮১ লিটার বিদেশি মদ জব্দ প্রিজনভ্যান থেকে পালানো ‘পিচ্চি রাজার’ সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রী পিরোজপুরে নতুন ডিসি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন গোলাম রব্বানী ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে কুলিক নদীর কুলে কুকুরের মুখ থেকে নবজাতক উদ্ধার পরকীয়ার অভিযোগ, একের পর এক সংসার ভাঙার গল্প মহিদুলকে ঘিরে বায়েজিদ সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ, আহ্বায়ক আলী আহমদ শাহিন, সদস্য সচিব মুজিব উল্ল্যাহ তুষার জমকালো আয়োজনে ‘দৈনিক ঘোষণা’র প্রধান নির্বাহী সম্পাদক এস এম জহিরুল ইসলামের জন্মদিন উদযাপন শিক্ষা ফলাফল নয়, ভবিষ্যৎ গড়ার পাঠ চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে অভিভাবক-শিক্ষক সংলাপ

বিয়ের পরদিনই নববধূ টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে চম্পট!

  • আপডেট সময় শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫, ৮.৩৮ পিএম
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় স্বামীর বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়েছেন এক নববধূ ও তার সঙ্গে থাকা আপন খালাতো বোন।

শুক্রবার (১৬ মে) বিকালে আদিতমারী থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দায়ের করা হলে এ তথ্য জানা যায়।

অভিযুক্ত নববধূ নাম রুমানা খাতুন (২৯)। একই উপজেলার সাপ্টিবাড়ি এলাকার এনছার আলীর মেয়ে। এদিকে, ভুক্তভোগী হোসেন আলী আদিতমারী উপজেলার তালুক পলাশী গ্রামের খিজির মামুদের ছেলে।

এ ঘটনায় রুমানা, ঘটক জোবাইদুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম ও লালমনিরহাট পৌরসভার কাজি আমজাদ হোসেন সরকার– এই চারজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন হোসেন আলী।

লিখিত অভিযোগে হোসেন আলী জানান, এক বছর আগে তার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। এর কয়েক মাস পর দ্বিতীয়বার বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

বুধবার (১৪ মে) অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম ও ঘটক জোবাইদুল তাকে পাত্রী দেখানোর জন্য লালমনিরহাট শহরে নিয়ে যান। সেখানে স্বামী পরিত্যক্তা রুমানাকে দেখানোর পর পছন্দ হলে তাৎক্ষণিক এক লাখ টাকা দেনমোহরে কাজি আমজাদ হোসেন সরকারের অফিসে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের রাতেই রুমানাকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি।

পরদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠে রুমানা তার বাবার অসুস্থতার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এ সময় তামাক বিক্রির ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। সন্ধ্যা হওয়ার পরও রুমানা না ফেরায় ও তার মোবাইলফোন বন্ধ থাকায়  সন্দেহ হয় হোসেন আলীর। বাড়িতে গিয়ে ঘরের বিছানা এলোমেলো অবস্থায় পান তিনি।

এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলেম একাধিকবার কল করলেও অভিযুক্ত ঘটক জোবাইদুল ও রুমানার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের দাবি, রুমানাসহ বাকিরা একটি বড় চক্রের অংশ। তাদের প্রধান কাজই হলো -বিভিন্নভাবে তরুণদের বিয়ের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়া।

আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আকবর বলেন, এটি প্রতারণা ও চুরি চক্রের নতুন কোনো কৌশল হতে পারে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com