নিজস্ব প্রতিবেদকঃসিলেট ছাতকের তকীপুর গ্রামের আলহাজ্ব মুহম্মদ রাশিদ আলীর ছেলে মুহম্মদ আবদুল খালিকের জানাজার নামাজ গত ২৯ শে জুলাই রোজ শনিবার মসজিদের ভিতরে জানাযার নামায অনুষ্টিত হয়।খবর নিয়ে জানাযায় গত শনিবার বাদ আছরের সময় অনুকূল আবহাওয়া থাকার পরও ফুলতলী মসলকের বিশিষ্ট মুফতিদের ফতোয়া অমান্য করে – কোন ওজর-আপত্তি ছাড়াই মসজিদের ভিতরে কতিপয় মুসল্লীরা জানাজার নামাজ আদায় করেছে। মসজিদ কমিটির সভাপতি বিপথগামী ফারুক আহমদ বলেন আজ আমরা আব্দুল খালিকের জানাজা নামাজ আদায়ের মধ্যদিয়ে মসজিদের ভিতরে সর্বপ্রথম জানাজার নামাজ পড়া উদ্বোধন করলাম। নাউজুবিল্লাহ মিন যালিক। গত বছর নিকস্থ খারগাও গ্রামে মসজিদের ভিতরে জানাজার নামাজ পড়ার জন্য মুর্দাকে আনা হলে -বুখারী শরীফের খতম পড়ার জন্য আগত ফুলতলী মসলকের উপস্থিত বিশিষ্ট আলেমরা কঠোর প্রতিবাদ করেন এবং মসজিদের বাহিরে খোলা মাঠে জানাজার নামাজ আদায় করেন। তখন উপস্থিত ছিলেন সৎপুর দারুল হাদিস মাদরাসার অধ্যক্ষ হযরত মাওলানা মুহাম্মদ শফিকুর রহমান। অধ্যক্ষ হযরত মাওলানা মুফতি ছমিরুদ্দীন, ইকড়ছুই জগন্নাথপুর। আরো অনেক আলেম উলামারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা সকলেই ফতোয়া দিয়েছেন মসজিদের ভিতরে জানাজার নামাজ পড়া জায়েজ নয়। এমনকি এই ফতোয়া তকীপুর মসজিদ কমিটির কাছেও লিখিতভাবে দেয়া হয়েছে যে, মসজিদের ভিতরে জানাজার নামাজ পড়া জায়েজ নয়। ফুলতলী বিশিষ্ট আলেমদের ফতোয়া অমান্য করে মসজিদের ভিতরে জানাজার নামাজ পড়ার এরকম স্থায়ী ব্যবস্থা মসজিদ কমিটি করেছে এবং আব্দুল খালিকের জানাজা নামাজ পড়ার মাধ্যম দিয়ে শুরু করে খুশি প্রকাশ করেছে। নাউজুবিল্লাহ মিন যালিক।
ফুলতলী মসলকের বিশিষ্ট আলেম বুরাইয়া কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ হযরত মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম ফারুকী, মাওলানা শফিকুল ইসলাম জিহাদী সহ অনেকেই মসজিদের ভিতরে জানাজার নামাজ পড়ার বিরুদ্ধে। মহান আল্লাহ পাক সকলকে হেদায়েত দান করুন।