অবেলায় চলে গেল সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম মুলত আমিন নামেই পরিচিতি লাভ করেন, তিনি বি-বাড়িয়া জেলার শাহবাজপুরের ছেলে। ঢাকায় স্ত্রী নাজমা ও শিশু কন্যা জুই কে নিয়ে বসবাস। দেড় মাস আগে আমিনুল ইসলামের মা জননী মৃত্যুবরণ করেছেন। সেই শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতে অবুঝ শিশু জুঁইকে এতিম করে দিয়ে চলে গেলো না ফেরার দেশে।
ব্যক্তি জীবনে সে জুঁই কর্পোরেট পাবলিসিটি ইভেন্ট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সংবাদ বাংলাদেশ এর সম্পাদক ও প্রকাশক। আমার অনেক খবর টাইমলাইন থেকে নিয়ে তার পত্রিকায় পাবলিষ্ট করে মেসেঞ্জারে লিংক দিয়ে দিত।
আজ তারই মৃত্যুর খবর লিখতে হচ্ছে। বড্ড হাসিখুশি ছিল আমিন। ছোট-ছোট, খন্ড-খন্ড নাটকে অভিনয় করে ইতিমধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য একমাত্র মেয়ের নামে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান খুলে নিজেকে গুছিয়ে ফেলছিল। করোনাকালীন সময় কাজ কম থাকরেও কখনও অভাব অভিযোগ এর কথা ওর মুখ থেকে শুনিনি।
প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী আমিন এভাবে চলে যাবে বুঝতেই পারিনি। এই লেখাটি যখন লিখছিলাম তখন আমিনের স্ত্রী নাজমা আর অবুঝ শিশু জুঁই আমিন এর লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়ির দিকে যাচ্ছিলো। ১২ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার নামাজের জানাযা শেষে মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে। হাসি খুশি মুখটি আর কোনদিন দেখবো না।
কিন্তু আমিনের মিষ্টি চেহারাটি সারাজীবন চোখের সামনে ভেসে উঠবে। ওপারে ভালো থাকিস ভাই। আল্লাহ তোকে জান্নাত দান করুক। আর আমিনের অবুঝ শিশুর পাশে আমাদের সাধ্য অনুযায়ী যেন দাঁড়াতে পারি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক। আমিন।