রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কাউখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ হরিণধারা-গোপালপুর সড়ক: খালের পেটে বিলীন হওয়ার পথে  গ্রামের যাতায়াতের মাধ্যম পূজায় আসছে মৌ খানের ‘স্নেহের বন্ধন’ মালিবাগে ‘কাচ্চি সরদার’-এর উদ্বোধন করলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর জে কে শান্ত ইতালি পাঠানোর নামে মালয়েশিয়ায় পাচার ও অর্থ আত্মসাৎ: চক্রের হোতাসহ গ্রেফতার ২ যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা

খেলার মাঠ, শিশু পার্ক ও জলাশয়গুলো ডিএসসিসি কাছে হস্তান্তর করার আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র

  • আপডেট সময় সোমবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২০, ৯.০১ পিএম
  • ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

রাজউকের নিয়ন্ত্রণে থাকা খেলার মাঠ, শিশু পার্ক ও জলাশয়গুলো দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) কাছে হস্তান্তর করার আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
তিনি বলেন, ‘ঢাকাকেন্দ্রিক বিশেষ কয়েকটি বিষয় যেমন খেলার মাঠ, শিশুপার্ক, জলাশয়- এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালন সিটি কর্পোরেশনের কার্যাবলীর মধ্যে পড়ে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের খেলার মাঠ পরিচালনা বা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব না। এ দায়িত্ব হলো দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের। তেমনি জলাশয় পরিচালন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিয়ন্ত্রণ করবে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। একইভাবে শিশু পার্ক, বাচ্চাদের খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত স্থান পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করবে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। সুতরাং এই সংক্রান্ত যে জরিপগুলো আপনাদের কাছে আছে বা যে এলাকাগুলো আপনারা চিহ্নিত করেছেন, সেগুলো যদি আমাদের কাছে হস্তান্তর করেন, তাহলে আমরা ঢাকাবাসীর কল্যাণে সেগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করতে পারব।’
আজ নগর ভবনের মেয়র হানিফ অডিটরিয়ামে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) কর্তৃক প্রণীত বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ডিটেল এরিয়া প্ল্যান) নিয়ে ডিএসসিসি কাউন্সিলরদের সাথে রাজউকের মতবিনিময় সভা শেষে ফজলে নূর তাপস এসব কথা বলেন।
পরিপূর্ণতার জন্য সমন্বয় প্রয়োজন উল্লেখ করে মেয়র বলেন, রাজউক বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনাসহ এ সকল নীতি-নির্ধারণী বিষয় প্রণয়ন করবে এবং সেগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়নে কর্পোরেশন সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সুতরাং দুটি সংস্থা একটি আরেকটির পরিপূরক, এখানে সাংঘর্ষিক কিছু নেই। তাই পরিপূর্ণতার জন্য সমন্বয় প্রয়োজন। সমন্বয়টা আরও সুন্দরভাবে, সুষ্ঠুভাবে করতে পারলেই ঢাকাবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা পরিপূর্ণভাবে পালন করা যাবে।
মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘক্ষণ আলাপ-আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমি বিশ্বাস করি যে, কাউন্সিলরবৃন্দের কাছ থেকে যে সকল অভিযোগ উপস্থাপিত হয়েছে, তাদের সেসব বক্তব্য নতুন করে যে বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা করা হচ্ছে, সেখানে সন্নিবেশ হবে এবং রাজউক সফলভাবে একটি পরিপূর্ণ বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে পারবে।’
এ সময় রাজউক চেয়ারম্যান মো. সাঈদ নূর আলম বলেন, ‘জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া কোন কিছুই টেকসই করা সম্ভব নয়। এতদিনের যে পরিকল্পনা ছিল, এখানে বসে অনুভব করলাম, বুঝতে পারলাম যে, জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া অনেক কিছুই হয়ে গেছে ইতোপূর্বে। যে কারণে সেগুলো টেকসই করা সম্ভব হয়নি। যদিও বলা হচ্ছে যে, এর আগেও জনগণের সাথে ইন্টারেকশন করেছি। কিন্তু আজকে মনে হচ্ছে যে, খুব গভীরভাবে, বিস্তারিতভাবে, শাখা-প্রশাখায় প্রসারিত হয়ে প্রত্যেকটা সমস্যার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সেগুলোর সম্ভাব্য কি সমাধান হতে পারে আজকের আলোচনা থেকে তা উঠে এসেছে।’
সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমান উল্লাহ নুরী বক্তব্য রাখেন।
মতবিনিময় সভায় রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মো. আজহারুল ইসলাম খান, ডিএসসিসি’র প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. বদরুল আমিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শরীফ আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, ড্যাপের প্রকল্প পরিচালক মো. আশরাফুল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com