শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কাউখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ হরিণধারা-গোপালপুর সড়ক: খালের পেটে বিলীন হওয়ার পথে  গ্রামের যাতায়াতের মাধ্যম পূজায় আসছে মৌ খানের ‘স্নেহের বন্ধন’ মালিবাগে ‘কাচ্চি সরদার’-এর উদ্বোধন করলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর জে কে শান্ত ইতালি পাঠানোর নামে মালয়েশিয়ায় পাচার ও অর্থ আত্মসাৎ: চক্রের হোতাসহ গ্রেফতার ২ যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা

বরগুনার তালতলীতে বেড়িবাঁধ না থাকায় মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে মানুষ

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০, ৯.৫১ পিএম
  • ৭২১ বার পড়া হয়েছে

মোঃইমরান হোসাইন( বরগুনা) তালতলী প্রতিনিধিঃ অমাবস্যা আর পূর্ণিমার জোয়ারে সাগরের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে এখানকার বসবাসরত মানুষদের পানিতে ভাসতে হয়। জোয়ার-ভাটার কারণে এসব গ্রামগুলোর মানুষ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন প্রতিনিয়তই। চলতি বর্ষা মৌসুমে ফসলি জমিতে চাষাবাদের আশা ছেড়ে দিয়েছেন এখানকার কৃষকরা।

‘এক সময় ফসলে পরিপূর্ণ থাকতো কৃষি জমি। বেড়িবাঁধ না থাকায় এখানে চাষাবাদ বন্ধ। এরপর বহু কষ্টে যা কিছু ফসল ফলাই তাও আবার জোয়ারের পানিতে সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে’ অশ্রুশিক্ত চোখে কথাগুলো বলছিলেন স্থানীয় কৃষক আলমগীর হোসেন।

শুধু তিনিই নন। এমন বোবা কান্না উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের খোট্টার চরসহ এলাকার শত শত কৃষকের। বার বার আশ্বাস দিয়েও বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে পারেনি পানি উন্নয়ন বোর্ড। ফলে বিপদসীমার মধ্যে বসবাস করছেন দুই হাজারেরও বেশি মানুষ। স্বাভাবিক জোয়ারের থেকে সামান্য পানি বাড়লেই প্লাবিত হয় ৩টি গ্রামের ৪ শতাধিক ঘরবাড়ি।

লবণ পানিতে বার বার প্লাবিত হওয়ায় নষ্ট হয়ে গেছে ফসলি জমির গুণাগুণ। এতে অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন অন্যত্র। এখন প্রতি মাসে অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় নদীর বাড়তি জোয়ারের পানিতে ৪-৫ দিন ধরে প্লাবিত থাকে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট। বন্ধ হয়ে যায় রান্না, খাওয়া। দুর্ভোগের শেষ থাকে না এলাকাবাসীর। ভুক্তভোগী পারুল বেগম বলেন, ‘অমাবস্যা, পূর্নিমায় পানিতে বাড়ি ঘর তলিয়ে যায়। রান্নার চুলায় পানি জমে থাকায় প্রত্যেক মাসে ৫-৬ দিন রান্না করতে পারি না। ওই সময় সন্তানদের নিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাতে হয়।

‘ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. দুলাল ফারাজি বলেন, জোয়ার এলেই, খোট্রার চরের মানুষদের ভাসতে হয়। তলিয়ে যায় ফসলি জমি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের একাধিক বার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এ বিষয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com